মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সেলিনা হত্যার ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারমধ্যে আফসার হোসেন জুনাকের তথ্য মোতাবেক বেরিরচর লেক থেকে মাথাটি উদ্ধার করা হয়। জুনাক নিহত সেলিনার মাথাটি শনাক্ত করেন।’
বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকালে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য সেলিনা বেগম বাসা থেকে বের হন। এরপর আর ফেরেননি। শনিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে বেড়িরচর এলাকার লন্ডন প্রবাসী রেহানা বেগমের বাড়ির পেছন থেকে মাথাবিহীন মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সেলিনা বেগম রাজনগর উপজেলার কদমহাটা গ্রামের মৃত খালিক মিয়ার স্ত্রী। তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ শহরের দরগামহলা এলাকায় বসবাস করছেন।
২০ জানুয়ারি (শনিবার) রাতে নিহত সেলিনা বেগমের ছেলে আলম মৌলভীবাজার মডেল থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি মামলা করেন।
সেলিনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আফসার হোসেন জুনাককে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে পুলিশ গ্রেফতার করে। জুনাকের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালালের নের্তৃত্বে একদল পুলিশ তল্লাশি করে বেরিরচর লেক থেকে পলিথিন দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় সেলিনা বেগমের মাথাটি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার জুনাক শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে।
নিহত সেলিনা ফেরি করে কাপড়ের ব্যবসা করতেন।