এ সময় মোগলাবাজার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম শাইস্তার গাড়ি এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য এবং উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৪০ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ সুরমা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। সভায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক হাবীবুর রহমান হাবিব গ্রুপের এক কর্মী পরিচালনা করে যাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি তার গ্রুপের একাধিক নেতাকর্মীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিলেও এমপি কয়েস গ্রুপের কোনও নেতাকর্মীদের তেমন সুযোগ না দেওয়ায় সভায় দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
পরে সভা থেকে অতিথিরা বেরিয়ে যাওয়ার সময় সামাদ গ্রুপের অনুসারী ২নং বরইকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গৌছ মিয়ার অনুসারী ফারুক আহমদসহ কয়েকজন হাবীব গ্রুপের নেতা মোগলাবাজার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম শাইস্তার গাড়ি ভাঙচুর করেন।
দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় কয়েকজন আহতও হয়েছেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৪০ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে।’