তবে পুলিশ দাবি করেছে, আটকের বিষয়ে তারা নিশ্চিত নয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. আবদুল ওয়াহাব বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলায় ঘটনায় এই গার্ডকে আটক করা হয়েছে কিনা এরকম কিছু তার জানা নেই।
মঙ্গলবার (৬ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের তিন তলা থেকে গার্ড মো. খালেকুজ্জামানকে আটক করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেন। সাদা পোশাকের কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শাবি’র প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে দেড় ঘণ্টা আগে জানানো হয়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের প্রধান ফটকে দায়িত্বরত প্রহরী মো. ইউনুস বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘একটা কালো গাড়িতে করে চারজন আসেন। এখান থেকে তিন জন ওপরে উঠে তাকে নিয়ে যান। মো. খালেকুজ্জামানের বাড়ি ফয়জুলের বাড়ির এলাকায় বলে জানা যায়।’
কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সহকারী লাইব্রেরিয়ান সেবিকা সুলতানা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘খালেক (খালেকুজ্জামান) অনেক শান্ত প্রকৃতির ছেলে। সচরাচর সে কম কথা বলে। কোনও পুলিশ যেন হামলার এ ঘটনায় নিরীহ মানুষকে হয়রানি না করে।’
উল্লেখ্য শনিবার বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে শাবি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠান চলাকালে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে পেছন থেকে মাথায় ছুরিকাঘাত করে ফয়জুল। এরপর জাফর ইকবালকে সিলেটের ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আর ছাত্ররা ফয়জুলকে আটকে মারধর করে। পরে তাকে র্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়। রবিবার (৪ মার্চ) দুপুরে জাফর ইকবালের ওপর হামলার ঘটনায় শাবির রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন জালালাবাদ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।