নির্যাতনের শিকার শিশুটির স্বজনরা জানায়, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সলকুবাদ ইউনিয়নের বাঘবেড় গ্রামে সলুক শাহ ওরস চলছিল। সেসময় হাসান ও তার সহযোগীরা শিশুটিকে মুখে চাপা দিয়ে পাশের একটি ভবনের পেছনে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালায়। পরে এলাকাবাসী সেখান থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে। এলাকাবসী স্বজনদের খবর দিলে তারা শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন রাতেই শিশুটিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
শিশুটির চাচা মো. তাজুল ইসলাম অভিযোগ করে জানান, মঙ্গলবার তার ভাতিজি বাড়ির পাশে ওরস দেখতে যাওয়ার পথে তিন-চার জন যুবক মুখে চাপা দিয়ে একটি ভবনের পেছনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। সে এখন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বিশম্ভরপুর থানার ওসি মোল্লা মনির জানান, রাত ১২ টার দিকে ওরস এলাকার একটি মজমা থেকে হাসানকে আটক করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিকিৎসক ডা. বেঞ্জামিন গোমেজ বলেন, মঙ্গলবার রাত পৌনে দশটার দিকে শিশুটিকে তার স্বজনরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে।