বাদীপক্ষের মূল আইনজীবী রিভিশন দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ বলেন-কোন ভিত্তিতে চিত্র নায়ক শাকিব খানকে মামলার দায় থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে তা সুস্পষ্ট নয়। তাছাড়া সাধারণত যেকোনও মামলার প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দিলে তা পুনঃতদন্তের আদেশ দেওয়া হয়। শাকিব খানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় নিম্ন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট সম্পা জাহান নারাজি আবেদন গ্রহণ করে মামলাটির পুনঃতদন্তের আদেশ দেননি। নারাজি আবেদন নামঞ্জুর করে রাজনীতি সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজককে আসাশি শ্রেণিভূক্ত করে শাকিব খানকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ জারি করেছেন। যা বাদীকে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত করার সামিল।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৯ অক্টোবর হবিগঞ্জের আদালতে ৫০ লাখ টাকার মানহানির অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন ইজাজুল মিয়া নামে এক অটোরিবশাচালক। এর আগে শাকিব ভক্তদের মোবাইল ফোনে অতিষ্ট হয়ে ইজাজুল গত ২৮ অক্টোবর বানিয়াচং থানায় রাজনীতি সিনেমার প্রযোজক আশফাক আহমেদ, পরিচালক বুলবুল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়রি করেন। নায়ক শাকিব খান ‘রাজনীতি’ ছবিতে নায়িকা অপু বিশ্বাসকে যে গ্রামীণফোনের মোবাইল নম্বারটি দেন সেটি আসলে কাকতালীয়ভাবে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজলার যাত্রাপাশা গ্রামের মোবারক মিয়ার ছেলে ইজাজুল মিয়ার মোবাইল নম্বারের সঙ্গে মিলে যায়। এ ঘটনায় প্রতিদিন শাকিব ভক্তদের ৭ থেকে ৮০০ ফোন কল আসতে থাকে তার মোবাইল। অপরিচিত মেয়েদের কাছ থেকে সারাদিন ফোন আসতে থাকায় স্ত্রী মিশু আক্তার ১৬ মাস বয়সী একমাত্র শিশু কন্যা ইমুকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান। অন্যদিকে, একের পর এক কল আসায় সিএনজির মালিক বাদল মিয়া ফোন করে সময়মতো ইজাজুলকে না পেয়ে তার সিএনজি অটোরিকশা চালকের চাকরি থেকে বাদ দেন। ফলে তিনি মামলাটি দায়ের করেন।