সোমবার (৩০ জুলাই) রাত ৮টার দিকে আরিফুল হক চৌধুরী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এসময় তাকে উৎফুল্ল দেখা যায়। তবে বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ফলাফল ঘোষণাস্থানে উপস্থিত না হলেও তার বদলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ও কামরানের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী উপস্থিত আছেন।
বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম সিলেটে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন যাতে অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এখানে তা হয়নি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জোর করে কেন্দ্রে প্রবেশ করে ভোটারসহ আমার এজেন্টদেরকে বের করে ভোট ডাকাতি করেছে। ফলাফল ঘোষণা হলেও আমার মনের ভেতরে শঙ্কা রয়েছে। এখনো আশঙ্কা করছি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের। যদি সুষ্ঠুভাবে সিলেটে নির্বাচন সম্পন্ন হত তাহলে আমি এক লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হতাম। কারণ এই সিলেটের মানুষ আমাকে চায়।’
আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, ‘আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। তবে বিএনপির প্রার্থীসহ নেতাকর্মীরা সিলেটে ভোট ডাকাতি হয়েছে বলে যে অভিযোগ করেছে তা সত্য নয়। কারণ আপনারাই ফলাফল দেখুন ভোটের। যথাযথ হয়েছে নির্বাচন। যার কারণেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে।’