আদালত সূত্র জানা গেছে, নিহত বাদশা মিয়ার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে প্রায় সময়ই স্কুল যাওয়া আসার পথে উত্যক্ত করত বখাটে বাবুল মিয়া। এই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার ফলে বাবুল মিয়া কারাভোগও করে। কিন্তু পরে মুক্তি পেয়ে সে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
২০১০ সালের ৩১ জুলাই বাবুল মিয়া পরিকল্পিতভাবে ধারাল অস্ত্র দিয়ে মুসলিম লাইন মাদরাসার কাছে কুপিয়ে হত্যা করে বাদশা মিয়াকে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মনির মিয়া বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় বাবুল মিয়াসহ কয়েকজনকে আসামি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০১০ সালের ৬ নভেম্বর বাবুল মিয়াকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১১ সালের ১৫ মে আদালতে বিচার শুরু হয়। বাদীসহ ৯ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত বুধবার হত্যার দায়ে বাবুল মিয়ার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করে।