জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেন, ‘সরকারের ফ্যাসিবাদী আচরণের প্রকাশ ঘটেছে এ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচার চালাচ্ছেন। আর পুলিশ বিএনপির জনপ্রিয় সংগঠকদের গায়েবি মামলায় গ্রেফতার করে জেলে দিচ্ছে। এটি হলো নির্বাচন কমিশনের লেবেল প্লেয়িং ফিল্ডের নমুনা।’
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘সারা জেলায় বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী রাতে বাড়িতে ঘুমাতে পারে না। গ্রেফতার আতঙ্কে তারা এলাকা ছাড়া। পুলিশ সরকার দলীয় এমপির নির্দেশে সাজানো মামলা দিয়ে বিএনপির শতাধিক জনপ্রিয় সংগঠকদের গ্রেফতার করে জেলে দিয়েছে।’
সুনামগঞ্জ ১ আসনের বিএনপি প্রার্থী নজির হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জন সমর্থন হারিয়ে এখন পুলিশের ওপর ভর করে ক্ষমতায় যেতে যাচ্ছে। তাই তার নির্বাচনি এলাকার নেতাকর্মীদের প্রতিদিন গ্রেফতার করে মিথ্যে মামলা দিয়ে জেলে দিচ্ছে।’
সুনামগঞ্জ ৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ফজলুল হক আসপিয়া বলেন, সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় তার কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে গিয়ে গ্রেফতার অভিযান চালায়। একারণে তারা গোপনে নির্বাচনি প্রচার চালাচ্ছেন। তার এলাকার দক্ষ সংগঠকদের গ্রেফতার করে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করছে পুলিশ। কোথাও কোনও অভিযোগ জানিয়ে আজ পর্যন্ত তিনি কোন সুবিচার পাননি বলে অভিযোগ করেন।
সুনামগঞ্জ-৫ প্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘সরকার এখন পাগলের মতো আচরণ করছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের যেখানে পাওয়া যাচ্ছে সেখান থেকেই গ্রেফতার করছে। রাতে বাসা বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে। কারও ওপর মামলা না থাকা সত্ত্বেও গ্রেফতার করা হচ্ছে।’