সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের মথুরকান্দি বাজারের মহাজোট প্রার্থীর অস্থায়ী কার্যালয়ে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মহাজোট ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অভিযোগ বিএনপি ও জামায়াতের সন্ত্রাসীরা রাতের আধারে তাদের অফিসে অগ্নিসংযোগ করে মহাজোট প্রার্থীর ব্যানার পোস্টারসহ জাতীয় পতাকা পুড়িয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর রাতের দিকে এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে বলে জানান স্থানীয় মহাজোট নেতারা।
তারা অভিযোগ করে বলেন,‘জামায়াত শিবির কর্মীরা ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর জন্য এঘটনা ঘটিয়েছে। সলুকাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন,‘আমরা ডলুরা এলাকায় মহাজোটের মিছিল নিয়ে যাওয়ার পর মথুরকান্দি এসে দেখি আমাদের অস্থায়ী কার্যালয়ে আগুন জ্বলছে। আগুনে মহাজোট প্রার্থী পীর ফজলুর রহমান মিসবাহর লাঙ্গল মার্কার ব্যানার পোস্টারসহ জাতীয় পতাকা পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এসময় অফিসের ৭০টি চেয়ার আগুনে পুড়ে গেছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘প্রতিহিংসার কারণে বিএনপি জামায়াত চক্র মহাজোট অফিসে আগুন দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন,‘২০০১ এর নির্বাচনের পর বিএনপি জামায়াত চক্র প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ও সলুকাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি করম আলীর বাড়িসহ ১৪ বাড়িঘর ভাঙচুর করে স্থানীয় বিএনপি জামায়াত চক্র। এটি ধারাবাহিকতায় তারা মহাজোট প্রার্থীর অস্থায়ী কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বেনজির আহমদ মানিক বলেন, ৩০ তারিখের নির্বাচনে কাপনা ও মথুরকান্দি কেন্দ্রের ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্যএলাকার চিহ্নিত জামায়াত শিবির চক্র অফিসে আগুন দিয়েছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মোশারফ হোসেন ইমন বলেন, এলাকাটি জামায়াত শিবিরের ঘাটি হিসেবে পরিচিত। পরিকল্পিত ভাবে কেন্দ্র বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য তারা এঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এবিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল হাজারি বাদী হয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এলাকাবাসী দায়ীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।
বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। জড়িতেদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।