লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ৭০ ভাগ বাঁধে মাটি ফেলার কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু কম্পেকশন ও ঘাস লাগানোসহ অন্যান্য কাজ বাকি রয়ে গেছে। বাঁধ নির্মাণের কাজ কার্যাদেশ অনুযায়ী শেষ না হওয়ায় ২৭ টি হাওরের বোরো ফসল আগাম বন্যার হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। গণশুনানি না করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করায় অনেক অযোগ্য লোক পিআইসির সদস্য ও সভাপতি হয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অগ্রতির সঙ্গে বাস্তব অবস্থার কোন মিল নেই। অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, ঠিক উচ্চতা ও প্রস্ত না থাকা, ঘাস না লাগানো, অপ্রয়োজনীয় বরাদ্দ, উচ্চতা অনুযায়ী স্লোপ না হওয়ার অভিযোগ করা হয়।
শুক্রবার (১ মার্চ) দুপুরে শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগার মিলনায়তন ও শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে পৃথক সংবাদ সম্মেলননে সংগঠন দুটি এ অভিযোগ করে।
সংগঠন দুটির পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আইনজীবী স্বপন কুমার দাস রায় ও কাসমির রেজা।
অভিযোগের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক ভুইয়া বলেন, ‘হাওরে বাঁধ নির্মাণের কাজ ৮৬ ভাগ শেষ হয়েছে। বৃষ্টির জন্য আপাতত কাজ বন্ধ রয়েছে। বৃষ্টি থামলে কাজ আবার শুরু হবে। সব বাঁধের মাটির কাজ শেষ হয়েছে। এখন শুধু ঘাস লাগানোর কাজ বাকি রয়েছে।’