তিনি বলেন, ‘লাইন চালুর জন্য সব ধরনের সরঞ্জাম প্রস্তুত। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এই সমস্ত ট্রেনে কোচ লাগিয়েছিলাম। এই ট্রেনে ১৭টি কোচ ছিল। আপাতত যতক্ষণ ট্রেন লাইন চালু করতে না পারছি ততক্ষণ ঢাকা সিলেট ও চট্টগ্রাম রেল কুলাউড়া স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করবে।’ উদ্ধার কাজ আজ সন্ধ্যার মধ্য শেষ হবে বলে তিনি আশাবাদী।
সিলেট থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে রবিবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল রেলক্রসিং এলাকার অদূরে ‘উপবন এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি সেতু ভেঙে এর কয়েকটি বগি খালে পড়ে যায়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া কুলাউড়া ও মৌলভীবাজার হাসপাতালে আহত মোট ৬৭ ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে ২০ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে সেতু ভেঙে লাইন বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট কাজ করছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া উদ্ধার অভিযানে স্থানীয়রাও অংশ নিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
কুলাউড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৫, সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ