মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরতলীর সুরভিপাড়া এলাকা থেকে স্কুল শিক্ষিকা ঝর্ণা কুর্মির গলায় ফাঁস লাগানো অর্ধ ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় নিহতের স্বামী সঞ্জয় কুর্মিকে গ্রেফতার দেখিয়ে শনিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে মৌলভীবাজার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার রাতে ঝর্ণার চাচা রাম প্রসাদ কুর্মি বাদী হয়ে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করে শ্রীমঙ্গল থানায় এ হত্যা মামলাটি করেন। ওই দিন দুপুরের ভাড়া বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ মামলায় পুলিশ নিহতের স্বামী পূবালী ব্যাংকের ভানুগাছ কমলগঞ্জ শাখার কর্মকর্তা সঞ্জয় কুর্মিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
মামলায় এজাহারে উল্লেখিত অন্য চার আসামি হলেন- সঞ্জয় কুর্মির বাবা সিউধনী কুর্মি, মা প্রতিমা কুর্মি, বোন গীতারানী কুর্মি ও চাচাত বোন তুলি কুর্মি।
শ্রীমঙ্গল থানার ওসি (অপারেশন্স) নয়ন কারকুন জানান, এজহারনামীয় অন্য আসামিদের এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতার স্বামীর সঙ্গে আলাপ করে পারিবারিক কলহের আলামত পাওয়া যায়নি। তবে মেয়ের পরিবার বলছে, পারিবারিক কলহ ছিল। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এলে প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।