বান্ধবীর আমন্ত্রণে সিলেটে বেড়াতে এসে এক তরুণী (২৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জালালাবাদ থানার নাজিরেরগাঁওয়ের একটি বাড়িতে তিন দিন আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ধর্ষণে সহায়তাকারী ভুক্তভোগীর বান্ধবী জুলেখা জুলীসহ তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী তরুণী মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) বিকালে জালালাবাদ থানায় মামলা করলে ওই দিনই তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়। বিকালে গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- ধর্ষণে সহায়তাকারী জুলেখা ওরফে জুলি (১৯), জুবায়ের হোসেন (২৮) ও জয়নাল মিয়া (৪০)। গ্রেফতারকৃতদের একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অন্য দুজনের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
পুলিশ জানায়, জালালাবাদ থানার নাজিরেরগাঁওয়ের একটি বাড়িতে গত শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত ওই তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। তিন দিন বাসায় আটকে রেখে দুই দফায় তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে সাত জন। ধর্ষণে সহায়তা করেছে ওই তরুণীকে সিলেটে আমন্ত্রণকারী বান্ধবী জুলী। ভুক্তভোগীকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ফেসবুকে জুলেখার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় ধর্ষণের শিকার তরুণীর। ওই তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহে। তিনি ঢাকার আজিমপুরে থাকেন। বান্ধবীর আমন্ত্রণে সিলেটে আসেন। এরপর বান্ধবীর সহযোগিতায় ধর্ষণের শিকার হন।
ওসি আরও বলেন, শুক্রবার রাত ৯টা থেকে রবিবার রাত ৩টা পর্যন্ত নাজিরেরগাঁওয়ের জুবায়ের হোসেনের স্ত্রী জুলেখার ঘরে ভুক্তভোগীকে আটকে রাখা হয়। এ সময়ে দুই দফায় সাত জন ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেছে। এতে সবাইকে সহযোগিতা করেছে জুলেখা। গ্রেফতারকৃত জুবায়ের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বাকি দুই জনের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।