সিলেটে তিন সাংবাদিকসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

সিলেটে তিন সাংবাদিকসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সাইবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগটি দিয়েছেন সিলেট সিএনজিচালিত অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন-৭০৭-এর সভাপতি মো. জাকারিয়া।

অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য সিলেট অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন সাইবার ট্রাইব্যুনাল। গত ৫ অক্টোবর জাকারিয়ার সার্বিক কর্মকাণ্ড নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় সিলেটের দৈনিক একাত্তরের কথা পত্রিকায়। এরই জেরে সাইবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দেন জাকারিয়া।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন দৈনিক একাত্তরের কথার প্রকাশক নজরুল ইসলাম বাবুল, উপ-সম্পাদক মঈন উদ্দিন, বার্তা সম্পাদক সাঈদ চৌধুরী টিপু, ফটো সাংবাদিক মিঠু দাস জয়। এছাড়া শাহপরাণ থানার পূর্বাশা আ/এ দেবপুরের কুতুব আলীর ছেলে সাহেদ আলী, শাহপরাণ থানাধীন নূরপুর দেবপুরের নেছার আলীর ছেলে আব্দুস সালাম, কোতোয়ালি থানাধীন কাজিটুলা মক্তবগলির জীবন চৌধুরী, হানিফ মিয়া ও সত্যের অনুসন্ধানে নামের ফেসবুক আইডিসহ অজ্ঞাত আরও তিন জন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন দৈনিক একাত্তরের কথা পত্রিকার উপ-সম্পাদক মঈন উদ্দিন। তিনি বলেন, 'সিলেটের পরিবহন সেক্টর নিয়ে পত্রিকায় একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর প্রকাশক ও তিন সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দেন শ্রমিক নেতা জাকারিয়া। আমরা আইনিভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করবো। সেইসঙ্গে আমরা শতভাগ আশাবাদী ন্যায়বিচার পাবো।'

সাইবার ট্রাইব্যুনালে দেওয়া অভিযোগে জাকারিয়া উল্লেখ করেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের নবগঠিত ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আমি। আমার সম্মানহানি করে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার জন্য ঈর্ষান্বিত হয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেন আসামিরা। প্রকাশিত সংবাদটি নজরুল ইসলাম বাবুল কর্তৃক প্রকাশিত দৈনিক একাত্তরের কথা প্রকাশ করার পর সাঈদ চৌধুরী টিপু, মঈন উদ্দিন ও মিঠু দাস জয় তাদের ফেসবুকে পোস্ট করেন। সেইসঙ্গে অপর আসামিরা তাদের ফেসবুকে সংবাদটি প্রকাশ করেন। সংবাদ প্রকাশের পর আমি এবং আমার পরিবার মানসিকভাবে হয়রানির সম্মুখীন হচ্ছি। একইসঙ্গে সামাজিক বিভিন্ন কাজে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।'