তিনি আরও জানান, যেখানে প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে তিনশ’ শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া-আসা করতো সেখানে মাত্র ২০ থেকে ৩০ জন করে শিক্ষার্থী স্কুলে আসছে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সহপাঠীরা খুন হওয়ার পর থেকে তারা স্কুলে আসতে ভয় পায়। সন্ধ্যার পর ওই এলাকার শিশুরা বাড়ি থেকে বের হয় না।এই ধরনের হত্যাকাণ্ড আবারও ঘটতে পারে এই ভয়ে তারা স্কুলে যেতে সাহস পায় না।
একই গ্রামের আছমত আলী জানান, ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শিশুদের মনে ওপর যে ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে সেটা তারা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এটা কাটিয়ে উঠতে তাদের কিছুদিন সময় লাগবে।
আকবর আলী নামে আরেক গ্রামবাসী জানান, এই ভয়াবহ ঘটনার রেশ না কাটলে শিশুদের মন থেকে ভয় দূর হবে না। অনেক শিশু বাড়ির মধ্যেও ভয়ে থাকে। শিশুদের মন থেকে ভয়ভীতি কাটিয়ে নিয়মিত স্কুলে পাঠানোর ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে হবে। আমাদের গ্রামের ইতিহাসে এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা যাতে জীবনে না ঘটে সেদিকে প্রশাসনকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
সুন্দ্রাটিকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আলী হায়দার জানান, চার শিশু হত্যার পর থেকেই স্কুল শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়ছে। বর্তমানে শিশুদের মাঝে আতঙ্ক কাজ করছে। তাই শিশুর স্কুলে আসতে সাহস পাচ্ছে না। এই হত্যাকাণ্ডের প্রভাব এলাকার শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। শিশুদের মনে যাতে ভয়ভীতি না থাকে সেদিকে সবার সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আশাকরি শিগগিরই শিশুদের ভয় দূর করে স্কুলমুখী করা যাবে।
/জেবি/টিএন/আপ-এআর/