গত ৮ মার্চ মৌলভীবাজার শহরের কলিমাবাদে অ্যাড. আজিজুর রব চৌধুরীর বাসায় ডাকাতরা দরজা ভেঙে বাসায় ঢুকে সাবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নগদ ১লাখ টাকা, ৪টি মোবাইলসহ মোট ১১ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়।
১০ মার্চ রাজনগর উপজেলায় ১৫-১৬ জনের ডাকাত দল ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাড়ির লোকজনদের হাত-মুখ বেঁধে আটকে রেখে ১২ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ও ৩টি দামি মোবাইলফোন লুট করে নিয়ে যায়।
১১ মার্চ সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে এক প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসময় ডাকাতরা ২ ভরি স্বর্ণ, মোবাইল সেটসহ মোট ৫ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়।
আরও পড়ুন:
১৩ মার্চ মৌলভীবাজার শহরের বনশ্রী এলাকায় ব্যবসায়ী ইউছুফ আলীর বাসায় ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ডাকাতরা ৪৫ ভরি স্বর্ণ, ১টি মোটরসাইকেল, মোবাইল ও নগদ ৪ লাখ টাকাসহ মোট ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়।
একই দিনে কুলাউড়া উপজেলার তিন বাড়িতে ডাকাতি সংঘটিত হয়। জয়চণ্ডি ইউনিয়নের লৈয়ার হাই গ্রামের জাহির মিয়ার বাড়ির দরজা ভেঙে ১৫-২০ জনের ডাকাতদল ঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৫ ভরি স্বর্ণ, ৩টি মোবাইল সেট, নগদ ১ লাখ টাকাসহ প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা লুট করে নিয়ে যায়। অপর দিকে ভুকশিমইল ইউনিয়নের সাদিপুর গ্রামের রুবেল আহমদের বাড়িতে ডাকাতরা হানা দিয়ে নগদ ৩০ হাজার, ২ ভরি স্বর্ণসহ ২ লক্ষাধিক টাকার মালমাল লুট করে নিয়ে যায়।
অন্যদিকে একই গ্রামের আব্দুর রহিমের বাড়িতে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ডাকাতদল। পরিবারের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ডাকাতদের আটকানোর চেষ্টা করলে ডাকাতরা দেশিয় অস্ত্র দিয়ে আব্দুর রহিম, এবাদুর রহমান ও ছায়দুল মিয়া ওপর হামলা করে পালিয়ে যায়।
২৫ মার্চ মৌলভীবাজার শহরের ইসলামবাগ এলাকায় কাতার প্রবাসী শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে ডাকাতরা দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে চেতনানাশক ওষুধ স্প্রে করে শিশুসহ ১২ জনকে অজ্ঞান করে ১০-১২ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
২৬ মার্চ মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রামেশহরপুর গ্রামে মুক্তাদির মিয়ার বাড়িতে ডাকাতরা হানা দিয়ে ৩ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নেয়।
৩১ মার্চ মৌলভীবাজার শহরতলীর হিলালপুর গ্রামে সৈয়দ মুহিব মিয়ার বাড়িতে ডাকাতি সংঘঠিত হয়। এসময় ডাকাতরা ২০ ভরি স্বর্ণ,নগদ ৭০ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন লুটে নেয়।
ডাকাতির বিষয়ে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার রাশেদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, শুধু পুলিশ দিয়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। চুরি-ডাকাতি রোধে জনগণের পক্ষ থেকে পাহারার ব্যবস্থা করতে হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে শহরে ২টি চেক পোস্ট বসানো হয়েছে এবং ৬টি মোবাইল টিম কাজ করছে। পাশাপাশি পুলিশ তৎপর আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
/এআর/