সভায় বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি’র নেওয়া ৬টি উদ্যোগ সঠিকভাবে পালনের জন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়কে সুপারিশ করা হয়।
১) সব নতুন শিক্ষার্থীর ওরিয়েন্টেশনকালে এবং পর্যায়ক্রমে যথাযথ কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করা।
২) বর্তমান শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একইরকম কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করা।
৩) শিক্ষার্থীদের জাতীয় ইতিহাস ও সত্তা, সংবিধান, আইন ও মানবিক মূল্যবোধে সুশিক্ষিত করার জন্য পর্যাপ্ত কোর্সের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৪) শিক্ষার্থীদের গঠনমূলক এক্সট্রা কারিকুলাম তথা শিক্ষা-সম্পূরক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি করে সংযুক্ত করা।
৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কারও মধ্যে কোনও প্রকার দেশ বা গণবিরোধী আচরণ বা মনোভাব পরিলক্ষিত হলে তা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে আনার জন্য আহ্বান এবং যথাযথ যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই মর্মে উপযুক্ত সরকারি প্রশাসনকে অবহিত করা।
৬) ব্যক্তিগত কাউন্সিলিংয়ের পাশাপাশি ক্যারিয়ার কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীকে জীবমুখী কর্মকাণ্ডে আরও জোরদারভাবে উদ্বুদ্ধ করা।
সভায় বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আলোচনার পর সবার সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই গুলশানে জঙ্গি হামলাসহ গত কয়েকবছরে দেশে বিভিন্ন সময় হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসব হত্যাকাণ্ডে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যাল নর্থ সাউথের শিক্ষার্থীই বেশি জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
/আরএআর/এমএনএইচ/