যদিও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা কলেজের শাখাকে অনুমোদন দেয়নি। সংগঠনটির দাবি, এই প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের কোনও কমিটি নেই।
জানা গেছে, ঢাকা কলেজে প্রায় দুই বছরের বেশি সময় ধরে ছাত্রলীগের কমিটি নেই।
দুপুর আড়াইটার দিকে যোগাযোগ করলে অধ্যক্ষ মোয়াজ্জম হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি আমার রুমেই আছি। ওরা কী জন্য অবস্থান নিয়েছে, সেটি পরিষ্কার নয়। তারা আমার কাছে আসেনি। বিস্তারিত পরে বলছি’। এরপরই এই প্রতিবেদকের ফোনলাইন কেটে দেন তিনি। পরে তিনটার দিকে আবার কল দিলে তিনি জানান, ছাত্রলীগ তাকে আটকে রাখেনি। তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।
ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, গত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বাজেট অনুযায়ী এই আলোচনা সভার আয়োজন ছিল স্বল্প।
কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির একনেতা (মাস্টার্সের শিক্ষার্থী) জানান, ছাত্রলীগ যদি শোক দিবসের অনুষ্ঠান করার সুযোগ না পায়, তাহলে কোন অনুষ্ঠানের সুযোগ পাবে? তার দাবি, অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগকে কোনও ফ্লোর দেওয়া হয়নি। এখানে টাকা-পয়সা লুটপাট করা হয়েছে। আলোচনা সভায় কয়েকজন আমলাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। দলীয় কোনও নেতাকর্মী ছিল না।
ছাত্রলীগকর্মী হিরণ ভুঁইয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা এখনও অবস্থান করছি। আমাদের দাবি-দাওয়া আছে। আমাদের দাবি মানলে অবস্থান উইথড্র করা হবে।’তার অভিযোগ, ‘অধ্যক্ষ মোয়াজ্জম হোসেন আমাদের গুরুত্ব দেন না। তিনি এই পদে আসার পর থেকে আমাদের ডাকেন না।’
সর্বশেষ তথ্যমতে, বিকাল তিনটার দিকে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনেই প্রায় কয়েকশ শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। ভেতরে অবস্থান করছেন অধ্যক্ষ মোয়াজ্জম হোসেন। কলেজ ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবস্থান নিয়েছে বলে জানান হিরন ভুঁইয়া।
ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেনকে অফিসে আটকে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে নিউমার্কেট থানার ওসি আতিকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অধ্যক্ষকে আটকে রাখার মতো কোনও ঘটনা ঢাকা কলেজে ঘটেনি। তবে কিছু ছেলে বিভিন্ন দাবী-দাওয়া নিয়ে সেখানে মিছিল করেছিল। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
/এসটিএস/ জেইউ/এমএনএইচ/