রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন। তাতে বলা হয়, কমিশন তার কার্যক্রম শেষে প্রতিবেদন হিসেবে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষানীতির খসড়া ২০১৩ সালের ১৩ এপ্রিল দাখিল করে। কমিশনের দাখিল করা প্রতিবেদন বর্তমান সময়ের আলোকে অধিকতর উপযোগী করতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মতামত জমা দিতে বাংলাদেশ কওমি শিক্ষা কমিশনের মেয়াদ আগামী বছরের ৯ জানুয়ারী পর্যন্ত বাড়িয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কমিশনের কার্যপরিধি ও অন্যান্য শর্তাবলি বহাল থাকবে।
এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর কওমি মাদ্রাসা শিক্ষানীতির খসড়া পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মতামত জমা দিতে মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের কমিটি গঠন করেছ শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেই প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর বেফাকসহ আলেম ওলামাদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়।
সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনটিতে বাংলাদেশ কওমি শিক্ষা কমিশনের মেয়াদ বাড়ানো হলেও আগের প্রজ্ঞাপনের কমিটি নিয়ে কোনও নির্দেশনা ছিল না।
২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশ কওমি শিক্ষা কমিশনের ১৭ সদস্যের কমিটিতে আছেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী, মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ, মাওলানা সুলতান যওক নদভী, আল্লামা আবদুল হালিম বোখারী, আল্লামা আশরাফ আলী, মাওলানা আনোয়ার শাহ, মাওলানা আবদুল জব্বার, মাওলানা আবদুল বাসেত বরকতপুরী, মাওলানা আবদুল মালেক, মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, মুফতি মাহফুজুল হক, মুফতি এনামুল হক, মাওলানা নূরুল ইসলাম মুফতি হিফজুর রহমান, মাওলানা আবদুল হক হক্কানী, মাওলানা মুশতাক আহমদ ও মুফতি রুহুল আমিন।
/সিএ/এআরএল/