সিনেট সভায় নীল দলের ৩৩ জন শিক্ষক-প্রতিনিধিসহ মোট ৪৮ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষক-প্রতিনিধি ছাড়া অন্যরা হলেন— শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও আচার্যের প্রতিনিধি ও সংসদ সদস্য।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘২৫ জনের কোরাম হলেই সিনেট সভা শুরু করা যায় এবং ওই সভার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার রয়েছে। সিনেট অধিবেশনে কখনোই ১০৫ জন উপস্থিত থাকেন না।’ বিকল্প কোনও প্যানেল না থাকায় কণ্ঠভোটের মাধ্যমেই উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, আমাদের ঢাবি প্রতিনিধি জানান, রবিবার (৩০ জুলাই) সিনেট সভার ওপর ১৫ জন রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েটের করা রিটের শুনানির বিষয়ে জানতে চাইলে শফিউল আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘সেটি আদালতের বিষয়। আজ (শনিবার) নির্বাচিত উপাচার্য প্যানেলের ওপর ওই শুনানির কোনও প্রভাব পড়বে না।’
এর আগে, বিকাল সাড়ে তিনটায় ছাত্র প্রতিনিধি ছাড়া ঢাবির সিনেটে উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন অবৈধ স্লোগান নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সিটেন ভবনের পূর্বপাশের গেটে জড়ো হন। পরে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে সিনেট ভবনের পূর্ব পাশের গেট ভেঙে শিক্ষার্থীরা ভেতরে ঢুকে যান। এসময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এতে কয়েকজন শিক্ষক শিক্ষার্থী আহত হন বলে জানান প্রক্টর আমজাদ হোসেন।
/আরএআর/এমএনএইচ/