ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, ‘এতিম ও সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎকারীদের বিচার বাংলাদেশে এভাবে হয় ৷ আমরা এক বছর আগে বলেছিলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যেমন হয়েছে তেমনিভাবে এক সময় খালেদার বিচারও বাংলাদেশের মাটিতে হবে ৷ খালেদা জিয়ার ফাঁসির দাবিতে ১৬ কোটি মানুষ একদিন মাঠে নামবে ৷’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমাদের দাবি, খালেদার ছেলে তারেক জিয়াকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। সে বিদেশে বসে জাতির পিতার ছবিকে অবমাননা করেছে ৷ বঙ্গবন্ধু ছবি অবমাননা মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের অবমাননার সামিল ৷ তাই তারেক জিয়াকে এবং তার নেতৃত্বে যারা বঙ্গবন্ধুর ছবিকে অবমাননা করেছে, একই সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারে যারা হামলা চালিয়েছে তাদের অতি দ্রুত দেশে এনে কারাগারে পাঠাতে হবে।’
এ সময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সন্তান হিসেবে আমরা লজ্জিত। বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশের নেতা নয়, তিনি সারা বিশ্বের নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষের নেতা। সেই নেতার ছবিকে অবমাননা করা হয়েছে ৷ আমরা অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি।’
ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোতাহের হোসেন প্রিন্সের সঞ্চালনায় ও সভাপতি আবিদ আল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন হল ইউনিটের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক।