মঙ্গলবার বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) এর সম্মেলন কক্ষে স্টুডেন্টস কেবিনেট বিষয়ক জাতীয় কর্মশালায় এ দাবি করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েক শিক্ষক-শিক্ষার্থী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে স্টুডেন্ট কেবিনেটের ইতিবাচক দিক বুঝতে পারছি। স্কুলের সার্বিক উন্নয়নে কেবিনেটের অবশ্যকতা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা কেবিনেট গঠন করে গণতান্ত্রিক চর্চা করছে, একইসঙ্গে স্কুলের সব উন্নয়নে কাজ করছে। স্কুলের দুর্বল দিককে তাদের নিজেদের মতো করে সারিয়ে নিতে চেষ্টা করে। শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। এর সুদূর প্রসারী ইতিবাচক দিক রয়েছে। ফলে এই কেবিনেট কেবলমাত্র স্কুল পর্যায়ে না রেখে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়েও গঠনের দাবি জানান তারা।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন,’শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিকাশে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শিক্ষার মূল লক্ষ্য নতুন প্রজন্মকে আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে প্রস্তুত করা। তাদেরকে ভালো মানুষ করে গড়ে তোলা। এজন্য ছাত্রজীবন থেকেই শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক মানসিকতা, গণতন্ত্রের চর্চা এবং সৃজনশীল কাজে উদ্যোগী হতে হবে। স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের মধ্যে এসব বিষয়ে আস্থা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে উঠবে। সমাজের উন্নয়নে কাজ করার মানসিকতা গড়ে উঠবে।
তিনি বলেন,২০১৮ সালে ২২ হাজার ৬৪৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ৮ জন নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে এ কেবিনেট গঠিত হয়।