ভিকারুননিসার নির্বাচন বাতিলের দাবি

 

ভিকারুননিসার নির্বাচন বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ গভর্নিং বডির নির্বাচন বাতিল করে নতুন তফসিল ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে। শনিবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানানো হয়।

ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকায় ভোটগ্রহণ ও প্রায় দুই হাজার ভোটারের দ্বৈত-ভোট গ্রহণের অভিযোগ তুলে অভিভাবক ফোরামের ব্যানারে এই দাবি জানান পরাজিত পার্থীরা। নির্বাচন বাতিলের দাবিতে রবিবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা কররা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির আহ্ববায়ক কমিটির সভাপতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক খানকে প্রত্যাহার করে নেওয়ারও দাবি জানানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে মাধ্যমিক শাখায় অভিভাবক পদে পরাজিত প্রার্থী মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচন ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকার মাধ্যমে আয়োজন করা হয়েছে। এই নির্বাচন বাতিল করে নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে নতুনভাবে তফসিল ঘোষণা করতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও অন্যান্য প্রভাবশালীদের যোগ-সাজসে ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়, পছন্দের প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য। আর এ কারণে যেসব প্রার্থীদের পাস করার কথা ছিল তারা নির্বাচনে পিছিয়ে পড়ে। এই নির্বাচন নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে অভিভাবকদের।

ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকা জেনেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পরাজিত প্রার্থী মীর মোহাম্মদ সাহাবুদ্দীন টিপু বলেন, ‘তালিকা যে ত্রুটিপূর্ণ ছিল, সেটি প্রমাণ করতেই নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত আমরা অংশ নিয়েছি। আমাদের অভিযোগ যে সত্য, তা নির্বাচনের মাধ্যমে পরিষ্কার হয়েছে। নির্বাচন প্রভাবিত করতে ভুয়া ভোট গ্রহণ করা হয়েছে এবং মিডিয়াকর্মীদের ক্যাম্পাসেই প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।’ নির্বাচন নিয়ে প্রহসন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মীর মোহাম্মদ সাহাবুদ্দীন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, অভিভাবক ফোরামের নেতা ও পরজিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী আকন্দ, জেসমিন আক্তার, মো. আব্দুল মজিদ প্রমুখ।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

আরও খবর...
ভিকারুননিসার নির্বাচনের ফল ঘোষণা