প্রসঙ্গত, চলতি বছর থেকে পাবলিক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ-৫) না রেখে সিজিপিএ-৪ (কিউমুলেটিভ গ্রেট পয়েন্ট এভারেজ) চালু করতে যাচ্ছে সরকার।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্যকে পরাজিত করে এক ধরনের আনন্দ পাওয়ার মনোভাব শেখাচ্ছি । জিপিএ-৫ পাওয়া এবং এক ধরনের অনভিপ্রেত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুরা গড়ে উঠছে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’
ডা. দীপু মনি বলেন, ‘পরিবর্তিত কারিকুলামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সব কিছুর পরও ভালো মানুষ হয়ে উঠবে। তবে কারিকুলাম যতই ভালো হোক না কেন, শিক্ষকের মান ঠিক না থাকলে এর উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।’
কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক, কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. সানোয়ার হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ডাক্তার মো. ফারুক হোসেন প্রমুখ।