তবে কবে নাগাদ বিদ্যালয় খোলা হবে তা নির্ভর করবে ‘জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি’র সুপারিশের ওপর।
নির্দেশিকায় বলা হয়, ‘বিদ্যালয় চালুর সিদ্ধান্ত হলে নিরাপদ এলাকা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় এলাকাভিত্তিক বিদ্যালয় চালু করা যেতে পারে। করোনা সংক্রমণ বিবেচনায় কোনও এলাকা সরকার রেড জোন হিসেবে ঘোষণা করলে সে এলাকায় বিদ্যালয় খোলা রাখা যাবে না।’
এতে আরও বলা হয়, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সংক্রমণ রোধে প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা নির্দেশনা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও প্রাথমিক অধিদফতর থেকে পাঠানো সকল নির্দেশনা ও পরামর্শ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদ্যালয় খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাজেট প্রণয়ন ও অর্থায়নের পরিকল্পনা করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আগাম অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে। বিদ্যালয় অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা ও জীবাণুমুক্তকরণ, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়া, হাঁচি-কাশি বিষয়ক শিষ্টাচার, সুরক্ষা সরঞ্জামের ব্যবহার, অসুস্থদের জন্য করণীয় এবং নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুতকরণের অভ্যাস গড়ে তোলা বিষয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও অভিভাবকদের জন্য তথ্য ও নির্দেশনা সম্বলিত পোস্টার লিফলেট প্রস্তুত ও বিতরণ করতে হবে। এসব নির্দেশনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রচার করা যেতে পারে। শিশুদের স্কুলে আনার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিতে করতে হবে। এ ক্ষেত্রে উদ্বুদ্ধ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।