নির্দেশিকায় বলা হয়, স্বাভাবিক অবস্থা না আসা পর্যন্ত কোনও প্রকার অভ্যন্তরীণ জমায়েত আয়োজন করা যাবে না। যেকোনও বদ্ধ বা ঘন জনবহুল স্থান বা অন্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। করোনাকালীন লম্বা বেঞ্চে ২ জন করে শিক্ষার্থী বসবে। শিক্ষার্থীরা যাতে গলাগলি কিংবা একে অপরকে জড়িয়ে না ধরে সে ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। বিদ্যালয়ের বাইরেও যেন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা এ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন করতে হবে।
নির্দেশিকায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার বিষয়ে বলা হয়, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত সকল নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে কিনা তা মনিটরিং করতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাগজের ব্যবহার সীমিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, কাগজের সীমিত ব্যবহারকে উৎসাহিত করা হয়েছে। শিক্ষকদের পারস্পরিক শারীরিক যোগাযোগ কমানো এবং দূরশিক্ষণ বা অনলাইন শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। নির্দেশিকায় বলা হয়, বিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষক, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের বহির্গমন কমিয়ে দিতে হবে। অত্যাবশ্যক না হলে কেউ বাইরে যাবে না।
শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতার বিষয়ে নির্দেশিকায় বলা হয়, শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বিদ্যালয়ে শিশুদের জন্য আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। তাদের সক্রিয় রাখতে হবে। শিশুদের মনোবল বৃদ্ধির জন্য ‘ইয়েল’-এর ব্যবস্থা করতে হবে। পরীক্ষা গ্রহণের চেয়ে শিক্ষাদান কার্যক্রমের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
করোনা রোগী শনাক্ত হলে কী করতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে নির্দেশিকায়। এতে বলা হয়েছে, শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোভিড-১৯ এর সন্দেহভাজন কোনও উপসর্গ পাওয়া গেলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। রোগী যার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে এসেছেন তাদের দ্রুত শনাক্ত ও কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করতে হবে।