রবিবার (৬ ডিসেম্বর) স্বাক্ষরিত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নির্দেশনায় বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের সিদ্ধান্তের আলোকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পালন করতে হবে।
আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের সিদ্ধান্তে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধীনস্থ দফতর ও সংস্থার প্রধান প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা কার্যালয়, সকল পিটিআই, সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় আনন্দ স্কুল ও শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের স্কুলগুলোয় ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সঠিক মাপ ও রঙের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও জাতীয় শিক্ষা একাডেমির প্রধান কার্যালয়ে আলোক সজ্জা করতে হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরে সাজসজ্জা করতে হবে।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জন শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করতে হবে।
সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন/ইমেইল/ডাকযোগে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজনসহ অনলাইন সুবিধা সম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভার্চুয়ালি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক, জাতীয় শিক্ষা একাডেমি (নেপ) এর পরিচালক, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট ও রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) -এর পরিচালককে বিজয় দিবসে সুবিধাজনক সময়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত/যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য কামনা এবং জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি অগ্রগতি কামনা করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে বিশেষ মোনাজাত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা করতে বলা হয়েছে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করতে হবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অনুষ্ঠান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।