জেএসসি ও জেডিসি এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসি ও সমমানের ফল তৈরিতে ‘সাবজেক্ট ম্যাপিং’ করায় ৩৯৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাননি। এসব পরীক্ষার্থীরা ওই দুই পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন।
শনিবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর আন্তর্জাতির মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ফল উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পর প্রেস ব্রিফিয়ে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
আগের দুই পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৩৯৬ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ না পাওয়ার ব্যাখ্যা দিয়ে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগে অনেকেই চতুর্থ বিষয়ের নম্বর পেয়ে জিপিএ-৫ পেতেন। এবার চতুর্থ বিষয়ের নম্বর না থাকায় তারা জিপিএ-৫ পাননি।
অন্যদিকে, জেএসসি-জেডিসি এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পেলেও এবারের মূল্যায়নের ফলাফলে ১৭ হাজার ৪৩ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
করোনাভাইরাস অতিমারির কারণে পরীক্ষা ছাড়াই আগের দুই পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমানের মূল্যায়নে সবাইকে পাস করিয়ে শনিবার ফল প্রকাশ হয়। এতে জিপিএ-৫ পেয়েছে দেড় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী।
ফল প্রকাশের অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, সাবজেক্ট ম্যাপিং করার সময় জিপিএ-৫ এর জন্য যে নম্বর দরকার ছিল, তা ৩৯৬ জন শিক্ষার্থী পাননি।
অন্যদিকেম বিষয়ভিত্তিক ম্যাপিং করায় অনেকে আগের দুই পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পেলেও এবার তারা জিপিএ-৫ পেয়েছেন। জিপিএ-৫ না পাওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী বেশি।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জন শিক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৪৭ হাজার ২৮৬ জন। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ।