এই তহবিল এক কোটি ৯৫ লাখ শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত আঞ্চলিক প্রধান ইফফাত শরীফ বলেন, শিক্ষাখাতের অগ্রগতিতে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পুরনো ও বিশ্বস্ত অংশীদার। চলমান কর্মসূচি পিইডিপি-থ্রি ও তার আনুষঙ্গিক কার্যক্রমের ছক এমনভাবে করা হয়েছে, যেন স্কুলোপযোগী বয়েসের একটি শিশুও মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয় ও প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করতে পারে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী শফিকুল আযম বলেন, পিইডিপি-থ্রি প্রকল্প সরকারের ‘সবার জন্য শিক্ষা’ স্লোগানটিকে বাস্তবায়িত করতে সাহায্য হবে। এই তহবিল প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রমের জন্যও হবে সমানভাবে সহায়ক।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশের ৯৭ শতাংশ শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ভর্তি হয়। পরবর্তী সময়ে ১৭ শতাংশ ঝরে পড়ার পর ৮০ শতাংশ শিশু প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করতে পারে। পিইডিপি-থ্রি প্রকল্পটি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাতেও ইতিবাচক অবদান রেখে চলেছে। ২০১৪ সালে প্রায় ২০ লাখ সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে এই প্রকল্পের আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া হয়।
সূত্র: বাসস।
/এইচকে/এমএনএইচ/