শিক্ষার্থীদের আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের যত পরিকল্পনা 

শিক্ষার্থীদের আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এছাড়া ২০২৮ সাল থেকে প্রাথমিকের শিক্ষাক্রমে খেলাধু বিষয়টি অন্তূক্ত করা হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী। 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে ‘খেলায় খেলায় শিখি তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে স্কুল ড্রেস, মিড-ডে মিল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার। আগামীতে দেশের সব উপজেলা মিড-ডে মিল কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ নামক দুটি নতুন পাঠ্যবই  যুক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ শীর্ষক পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি ২০২৮ সাল থেকে প্রথম শ্রেণির কারিকুলামে খেলাধুলা বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।” 

মন্ত্রী দেশীয় খেলাগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রসারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকের অভাব রয়েছে। এই সমস্যা নিরসনে  অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে ‘রিটায়ার্ড টিচার্স পুল’ গঠন করা যেতে পারে। 

সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।” 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, “শিশুদেরকে আনন্দময় শিক্ষা দিতে হবে যাতে শেখার আগ্রহ আসে। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।” 

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক দেশের সবজায়গায় খেলার মাঠ বৃদ্ধি করা, প্রতিভাবান খেলোয়ারদের বিকাশে সরকার গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। 

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত উপস্থিত ছিলেন।