বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয় এক চরিত্রের নাম ‘ডোরি’। যার ফেসবুকে পেজে লাইকের সংখ্যা আড়াই কোটিরও বেশি। ওয়াল্ট ডিজনি পিকচার্স কিংবা পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের ছবির আর কোনও চরিত্রের এত ভক্ত নেই।
২০০৩ সালের ‘ফাইন্ডিং নেমো’র মধ্য দিয়ে রূপালি পর্দায় আসে নীল রঙা এই মাছ। দর্শকের মন জয় করার পাশাপাশি অস্কারে সেরা ত্রিমাত্রিক ছবির পুরস্কার জিতে নেয় ছবিটি। এরপরই শুরু হয় পরবর্তী সিক্যুয়ালের অপেক্ষা। যেই অপেক্ষার সময় দীর্ঘ হয় ১৩ বছর। অবশেষে পর্দায় এসেছে ‘ফাইন্ডিং ডোরি’। গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। আর বাংলাদেশের দর্শকরা স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটি দেখতে পাবেন ২৪ জুন থেকে।
প্রথম ছবি শেষ হওয়ার ছয় মাস পরের ঘটনা দেখানো হয়েছে এতে। যার মানে ১৩ বছরকে গল্পে কমিয়ে আনা হয়েছে মাত্র ছয় মাসে। এবারও পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন অ্যান্ড্রু স্ট্যানটন। তবে এবার তার সঙ্গে আছেন আরেক পরিচালক অ্যাঙ্গাস ম্যাকলেন। অ্যান্ড্রুর সঙ্গে যৌথভাবে চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন ভিক্টোরিয়া স্ট্রাউস ও বব পিটারসন। গল্প সাজিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলকে ঘিরে।
বন্ধুসুলভ কিন্তু মনভোলা নীল মাছটির সঙ্গে তার বন্ধুদের পুনর্মিলন দেখা যাবে এবারের ছবিতে। সাধাসিধে মাছের স্মৃতিশক্তি লোপ পায় ১০ সেকেন্ড পরপর। তবে তার এটুকু মনে আছে- শৈশবে যেকোনও কারণে মা-বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে সে। দুই বন্ধু নেমো ও মারলিনের সহায়তায় মা-বাবাকে খুঁজে বের করার দুঃসাহসিক ও রোমাঞ্চকর অভিযানে নামে ডোরি।
ডোরি ছাড়াও প্রথম ছবির নেমো, মারলিন, মিস্টার রে, ক্রাশ ও স্কুইয়ার্ট এবারও আছে। ডোরির চরিত্রে কন্ঠ দিয়েছেন এলেন ডিজেনারেস।
এদিকে, ২৩ জুন আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য ছবিটির প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে স্টার সিনেপ্লেক্সের ইফতার মাহফিলের আয়োজনও থাকছে।
/এম/