আরও জানান, বিশেষ এই উদ্যোগের শুরুটা হচ্ছে ৫ জানুয়ারি মুন্সিগঞ্জ জেলা থেকে। এদিন জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ এর দুটি প্রদর্শনী হবে। পর্যায়ক্রমে এমন আয়োজন করা হবে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা শহরে।
মুন্সিগঞ্জ থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ আয়োজনের উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে জেলার ডিসি-এসপি ছাড়াও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কাউন্টার টেররিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
পরিচালক দীপংকর দীপন বলেন, ‘‘জেলা শহরগুলোতে সিনেমা হলের পরিবেশ যথেষ্ট মানসম্পন্ন না হওয়ায় অনেক দর্শকের ইচ্ছে থাকলেও এতদিন দেখতে পারেননি। এই আয়োজনের ফলে জেলা শহরের সুধীজনেরা ‘ঢাকা অ্যাটাক’ দেখতে পারবেন, ভাবতেই ভালো লাগছে।’’
এদিকে ‘ঢাকা অ্যাটাকে’র কাহিনিকার সানি সানোয়ার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, ‘এর ফলে আমাদের ছবিটি নির্মাণের উদ্দেশ্য আরও সফল হবে।’
ছবিটির কার্যনির্বাহী প্রযোজক মোহাম্মদ আলী হায়দার বলেন, ‘বিভিন্ন জেলা শহর থেকে আমাদের কাছে ছবিটি দেখার তীব্র ইচ্ছে সত্ত্বেও দেখতে না পারার আক্ষেপ আমাদের জানিয়েছেন। বাংলাদেশের এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ জায়গা আছে যেখানে সিনেমা হলই নেই। সেইসব দর্শকদের কাছে এবার ‘ঢাকা অ্যাটাক’ পৌঁছাবে জেনে খুব ভালো লাগছে।’’
প্রসঙ্গত, ‘ঢাকা অ্যাটাক’কে বলা হচ্ছে দেশের প্রথম পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলার। বোম নিষ্ক্রিয় ইউনিটের সদস্য, পুলিশ কমিশনার, সোয়াট ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা, সাংবাদিক সব ধরনের চরিত্রই আছে ছবিটিতে। অ্যাকশন দৃশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে পুলিশের ব্যবহৃত ৪৫ পাউন্ড ওজনের বোমা স্কোয়াডের বিশেষ পোশাক ও পাঁচ কিলোগ্রাম ওজনের হেলমেট।
এর পরিচালক দীপংকর দীপন দেড় যুগ ধরে নাটক ও ডকুমেন্টারি নির্মাণ করে হাত পাকিয়েছেন। ‘ঢাকা অ্যাটাক’ তার প্রথম ছবি। একদল চৌকস পুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান নিয়ে সাজানো হয়েছে এটি।
এ ছবিতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, মাহিয়া মাহি, এবিএম সুমন, শতাব্দী ওয়াদুদ, আলমগীর, আফজাল হোসেন, কাজী নওশাবা আহমেদ, সৈয়দ হাসান ইমাম, শিপন মিত্র। খলচরিত্রে আছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি তাসকিন রহমানকে।
ছবিটির মূল ভাবনা ও কাহিনি রচনা করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি সানী সানোয়ার। ‘ঢাকা অ্যাটাক’ যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে স্প্ল্যাশ মাল্টিমিডিয়া, ঢাকা পুলিশ পরিবার কল্যাণ সমিতি লি. ও থ্রি-হুইলারস লি.।
ছবিটি ২০১৭ সালের সর্বাধিক আলোচিত এবং ব্যবসা সফল ছবি হিসেবে স্বীকৃত।