ঢাবিতে সংগীত উৎসব ও সম্মাননা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগের নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিবছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘সংগীত উৎসব’। বাংলা সংগীতে অবদানের জন্য ৯জন বিশেষ ব্যক্তিকে দেওয়া হবে সম্মাননাও। ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বর প্রাঙ্গণে এটি অনুষ্ঠিত হবে।
সুবীর নন্দী, আবিদা সুলতানা, রফিকুল আলম, লীনা তাপসী ও খুরশীদ আলমঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগ বিশ্বাস করে ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার সম্মিলিত চর্চা বাংলা গানের সোনালী সময়কে ফিরিয়ে আনবে। এ প্রসঙ্গে ঢাবি সংগীত বিভাগের প্রধান ও নজরুল সংগীতশিল্পী ড. লীনা তাপসী খান বলেন, ‘এটি আমাদের প্রাণের উৎসব। সংগীত উৎসব প্রতিবছর আমাদের মিলনমেলা। বেশ আয়োজন করে আমরা এই আয়োজন করে থাকি। প্রতিবারই চেষ্টা থাকে বিগত সময়ের চেয়ে আরও সুন্দর করে গুছিয়ে উৎসব আয়োজন করার। এবারও সেই চেষ্টার ধারাবাহিকতা থাকছে।’
২৬ জানুয়ারি বিকাল ৪টায় দুইদিন ব্যাপী এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। সংগীত বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় দু’দিনজুড়ে থাকছে মূলধারার বাংলা গান। এতে থাকছে উচ্চাঙ্গ, নজরুল, রবীন্দ্র, লোক ও যন্ত্রসংগীতের মনোমুগ্ধ পরিবেশনা। আরও থাকছে আধুনিক ও চলচ্চিত্রের গান।
উৎসবে প্রথম দিন অতিথি শিল্পী হিসেবে থাকছেন সুবীর নন্দী ও খুরশীদ আলম, ২য় দিন রফিকুল আলম ও আবিদা সুলতানার পরিবেশনা। দু’দিনই বিকাল ৪টা থেকে অনুষ্ঠান চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগে ২০১৬ সালের অনার্স পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারীকে ‘নীলুফার ইয়াসমীন স্মারক বৃত্তি’ প্রদান করা হবে।
বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় সংগীত বিভাগ এবার নয় জন দেশবরেণ্যকে তাদের কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা প্রদান করতে যাচ্ছে। তারা হলেন- কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী, খুরশীদ আলম, রফিকুল আলম ও আবিদা সুলতানা, গীতিকার কবি জাহিদুল হক, সুরকার সেলিম আশরাফ, গীতিকার ও সুরকার অনুপ ভট্টাচার্য, যন্ত্রশিল্পী ফিরোজ খান ও মনিরুজ্জামান।