বাবার এই দৃষ্টিভঙ্গিটা আমার জীবনে এখন কাজে লাগছে।
এটা বলার বিশেষ কারণ আছে। কারণ, আমার স্বামী জেভিয়ার শান্তনু বিশ্বাস খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
২০০৯ সালে আমাদের বিয়ে হয়। এরপর থেকেই এ ধর্মটার নানা আচার আমি নিজেই সম্পন্ন করি। প্রতিবারই বড়দিন উপলক্ষে আমার শ্বশুরবাড়ি বরিশালে যাই। এবারও চলে এসেছি।
বড়দিনে যেটা বেশি উপভোগ করি, তা হলো শাশুড়ির সঙ্গে পিঠেপুলি বানানো। এদিন বাসায় কীর্তনও হয়। কেনাকাটা, ঘর সাজানো, ঘুরে বেড়ানো সবই চলে। এবারও হবে।
তবে ঘুরে বেড়ানোটা হয়তো এবার আর হবে না। ঘর সাজানোটা হয়েছে। আর কেনাকাটার ব্যাগে এবার স্যানিটাইজার জড়ো হয়েছে।
এই করোনাতে একটু বিধিনিষেধ থাকছে। তবে আনন্দ যা হওয়ার, তা হবেই। প্রতিবারই বলি, আমি শ্বশুরবাড়ি যাই এ বছর, ফিরে আসি পরের বছর। এবার এটাও হবে।
কারণ, ঢাকায় ফিরছি বড়দিন কাটিয়ে নতুন বছরে।
অনুলিখন: ওয়ালিউল বিশ্বাস