লাল জুতো পায়, খোকা বাবু যায়...- জনপ্রিয় এই গান-লাইনে একটু সংশোধন এনেছেন সময়ের অন্যতম টিভি অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী!
শুক্রবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি মঞ্চে উঠে তিনি যেভাবে ধরা দিলেন নাচে-গানে-গেটআপে; তাতে গানটির কাল্পনিক লাইন দাঁড়ালো এমন- পিংক জুতো পায়, হলুদ শাড়ি গায়... মেহজাবীন নেচে-গেয়ে দর্শক মাতায়!
তাও আবার দর্শকসারিতে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তখন উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী থেকে কৃষক পর্যন্ত।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণে দীপ্ত টিভি প্রথমবারের মতো আয়োজন করে ‘কৃষি অ্যাওয়ার্ড’। কৃষির অগ্রগতিতে যারা অসামান্য অবদান রেখেছেন সেসকল কৃষকদের সম্মাননা জানানোর লক্ষ্যে এটি আয়োজন করা হয়।
জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। যেখানে মেহজাবীন চৌধুরী ছাড়াও মঞ্চ মাতান মাহিয়া মাহি, নাদিয়া, চাঁদনী, সিনথিয়া ও বারিষ হক। গান পরিবেশন করেন ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফেরদৌস-পূর্ণিমা।
এদিন জমজমাট এমন পারফরমেন্সের মাঝে প্রদান করা হয় ১০ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার। এরমধ্যে বিজয়ীরা হলেন মৎস্যচাষী মামুনুর রশিদ, পোল্ট্রি খামারি নয়ন সেলিনা, কৃষি উদ্যোক্তা মো. কোব্বাদ হোসাইন, কৃষি উদ্ভাবক মো: নজরুল ইসলাম, শস্য উৎপাদনকারী কৃষক আবু ছায়েদ রুবেল, সবজি চাষী মো: বদু মিয়া, গবাদি খামারি মো: আবুল হাসান চৌধুরী সাগর, ফল বাগানী মো: মতিউর রহমান, সামাজিক/সমবায় কৃষি ডাঃ মোহাম্মদ রায়হান পিএএ এবং কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মো: জাহাঙ্গীর আলম শাহ।
কৃষকদের সম্মাননা প্রদান করেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দীপ্ত টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান এবং এসিআই এগ্রো বিজনেস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. ফা. হ. আনসারী।
পুরো আয়োজনটি প্রযোজনা করেছেন মোঃ মাসুদ মিয়া। যা সরাসরি সম্প্রচার হয় দীপ্ত টিভিতে।