চিরকুটের রিকশা পেইন্ট চশমা স্করপিয়নসের চোখে

হেভি মেটালের পুরোধা বলা হয় ব্যান্ড স্করপিয়নসকে। অসংখ্য গানে বিশ্ব সংগীত এখনও মাত করে রেখেছে তারা। সাধারণ শ্রোতা তো বটেই বিশ্বের অনেক দেশের ব্যান্ডের কাছে অনুকরণীয় ও আদর্শ তারা। 

আর সেই গুরুস্থানীয় ব্যান্ডের সঙ্গেই মঞ্চ ভাগ করে নিলো বাংলাদেশি ব্যান্ড চিরকুট। নিউ ইয়র্কের ঐতিহাসিক ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ৭ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা থেকে অনুষ্ঠিত হয় ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ’ কনসার্ট। এর আগে গ্রিন রুমে এক হয়েছিল ব্যান্ড দুটি। অবিস্মরণীয় সে মুহূর্ত আরও অসাধারণ হয়ে ধরা দিলো স্করপিয়নসের আন্তরিকতায়। এমনকি ঢাকা থেকে চিরকুটের নিয়ে যাওয়া বিশেষ চশমাও চোখে তুলে নিলেন স্করপিয়নসের কাণ্ডারি ক্লাউস মাইন।

আর এটি ডিজাইনও মনে দাগ কেটে গেছে তার। বিষয়টি জানিয়েছে চিরকুট নিজেই। 

ব্যান্ডটির সদস্যরা বলেন, ‘‘চশমাটি দেখে অভিভূত ক্লাউস বলে উঠেন, ‘আরেহ এটা আমাদের জন্য? খুব সুন্দর।’’

সঙ্গে সঙ্গেই ক্লাউস এটি চোখে পরে নেন। চিরকুট ব্যান্ডের সুমির সঙ্গে পোজও দেন ক্যামেরার সামনে। মুহূর্তটি অসাধারণ ছিল বলে জানায় চিরকুট। 

সুমি জানান, চশমাটির ফ্রেমের সামনের অংশটি রিকশা পেইন্টে আঁকা। পাশে একদিকে লেখা চিরকুট, অন্যপাশে স্করপিয়নস।

মঞ্চে তখন চিরকুটবাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ারে ৭ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় আয়োজন করা হয় ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ’ কনসার্টটি। যার টাইটেল রাখ হয়, ‘লেট দ্য মিউজিক স্পিক’। অনুষ্ঠানে চিরকুট ২০ মিনিট ও স্করপিয়নস দেড় ঘণ্টার পরিবেশনায় অংশ নেয়।

বাংলাদেশের উদ্যোগে এই প্রথমবারের মতো ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে কোনও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলো। এর উদ্যোক্তা আইসিটি মন্ত্রণালয়। উদ্দেশ্য, ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ এর স্মৃতি রোমন্থন। ৫০ বছর পর একই স্থানে প্রতিধ্বনিত হলো বাংলাদেশের নাম।ম্যাডিসন স্কয়ারের সামনে চিরকুট সদস্যরা