দেশের অনেক রকমের ওটিটি প্ল্যাটফর্মের ভিড়ে স্বতন্ত্র ও দরকারি লগইন হয়ে উঠেছে চরকি। যার নেতৃত্বে আছেন নির্মাতা রেদওয়ান রনি। গেল দু’বছর ধরে সিনেমা ও সিরিজ তৈরি আর প্রকাশ করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। সেই ধারায় এবার আরও একধাপ এগিয়ে যাচ্ছে চরকি। কারণ প্রতিষ্ঠানটি হাত মিলিয়েছে শহরের বড় একটি সিন্ডিকেটের সঙ্গে!
‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি নেতিবাচক বার্তা বহন করলেও, এক্ষেত্রে তা নয়। প্রতিষ্ঠানটির নামই ‘ফিল্ম সিন্ডিকেট’। যারা এরমধ্যে নিজেদের প্রমাণ করেছে, ঢাকাই কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে তারা কতোটা পজিটিভ ও প্রভাবশালী।
বুধবার (১৩ মার্চ) ইফতারের আগে আগে রাজধানীর অভিজাত এক হোটেলে ডেকে চরকি কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, ১০টি নতুন সিরিজের। যার সবগুলোই নির্মাণ করবে ‘ফিল্ম সিন্ডিকেট’! প্রতিষ্ঠানটি আগামী তিন বছরে এই সিরিজগুলো নির্মাণ করবে চরকির জন্য।
সেখানে হাজির ছিলেন সিন্ডিকেটের ৬ সদস্যসহ চরকি’র সিইও রেদওয়ান রনিসহ ফিল্ম সিন্ডিকেটের সদস্যরা।
রেদওয়ান রনি বলেন, ‘কোলাবরেশন সব সময় সুফল বয়ে নিয়ে আসে। আশা করছি সিন্ডিকেটের সঙ্গে চরকির এই উদ্যোগ সুফল বয়ে আনবে পুরো ইন্ডাস্ট্রির জন্য। বাংলাদেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও চরকি ভালো কারেন্সি পাচ্ছে। গতমাসে চরকির আয়ের ৫০ শতাংশ এসেছে দেশের বাইরে থেকে। শিগগিরই চরকি চালু হবে নেপাল ও শ্রীলঙ্কায়। এসব বিবেচনা করেই আমরা সিন্ডিকেটের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে যুক্ত হলাম।’
সিন্ডিকেটের সদস্যরা জানান, আগামী তিন বছরের জন্য এই ১০ কনটেন্ট-এ সুযোগ পাচ্ছেন নতুন নতুন গল্পকাররা। সঙ্গে সব রকমের শিল্পীদের অংশগ্রহণও থাকছে। তারই ট্রেলার দেখা গেলো এই অনুষ্ঠানে। যাতে হাজির ছিলেন গোলাম ফরিদা ছন্দা, নুসরাত ইমরোজ তিশা, রুনা খান, জাকিয়া বারী মম, আফসান আরা বিন্দু, সাদিয়া আইমান, আইশা খান, ইন্তেখাব দিনার, সোহেল মণ্ডল প্রমুখ।
সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য নির্মাতা সৈয়দ আহমেদ শাওকী বলেন, ‘কনটেন্ট নির্মাণকে পেশা হিসেবে নিতে গেলে অনেক ঝুঁকি ছিল। কিন্তু ওটিটির কল্যাণ সেই ঝুঁকি এখন কেটে যাচ্ছে। ঠিকঠাকভাবে খেলার জন্য আমরা মাঠ খুঁজছিলাম। শুধু খেলা নয়, চরকি আমাদের ওয়ার্ল্ডকাপ খেলার সুযোগ করে দিলো।’
জানা গেছে, এরমধ্যে ১০ প্রজেক্টের একটির শুটিং শেষ। যেটি নির্মাণ করেছেন শাওকী। বাকি ৯টির কাজও চলমান। যদিও এসব বিষয়ে সিন্ডিকেট সদস্যরা এদিন বিশেষ কিছু বলেননি মুখফুটে।