ওপার বাংলার অভিনেত্রীদের সংসদ নির্বাচনী জয়-পরাজয়ের ডামাডোল আর এপারে শাকিব খানের ‘তুফান’। মাঝে অসাধারণ একটি অর্জন ম্লান হয়ে রইলো দিনভর।
নিয়মিত অভিনয়, লেখালেখি আর সংসারের ফাঁকে নাজনীন হাসান চুমকী চুপিচুপি যে এতো বড় একটি গবেষণায় ডুবে ছিলেন, সেটি টের পাওয়া গেল আজই (৫ জুন)। এদিন তিনি অর্জন করেছেন শিক্ষাজীবনের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পিএইচ.ডি।
২৩ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত শেষে ৫ জুন নাজনীন হাসান চুমকীকে পিএইচ.ডি ডিগ্রি প্রদান করা হলো। জানানো হলো, বিশ্ববিদ্যালয়টির নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. হারুন অর রশীদ খান-এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদিত ‘বাংলাদেশের শিশু থিয়েটার চর্চা (১৯৯১-২০১০)’ শীর্ষক অভিসন্দর্ভের (গবেষণাপত্র) জন্য অভিনেত্রীকে এই ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এটিকে জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি বলে মনে করছেন অভিনেত্রী। প্রতিক্রিয়ায় বললেন, ‘‘এই অর্জনের জন্য শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি ড. আফসার আহমদ স্যারকে। কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি ড. হারুন অর রশীদ খান স্যারের প্রতি। আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি বাংলাদেশের শিশু থিয়েটার চর্চা নিয়ে গবেষণার। আমার বিশ্বাস এই গবেষণা আগামীর শিশু থিয়েটার চর্চায় কাজে লাগবে।’’
নাজনীন হাসান চুমকী একাধারে অভিনেত্রী, পরিচালক ও লেখক। তিনি ২০০৬ সালে ‘ঘানি’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তার অন্য চলচ্চিত্রের মধ্যে ‘লালন’ উল্লেখযোগ্য।
১৯৯২ সাল থেকে চুয়াডাঙ্গার মেয়ে চুমকী স্থানীয় অরিন্দম সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।
তার লেখা, পরিচালিত প্রথম নাটকটির নাম ‘যে জীবন দোয়েলের, শালিকের’।