সৌদি আরবে ‘রিয়াদ সিজন’ মাতালেন বাংলাদেশি তারকা ডিজে তুরিন। বাংলাদেশি গানের সুরে ও তালে প্রতিদিনই লাখো দর্শক শ্রোতাদের মাতিয়ে নজর কেড়েছেন এ তরুণী। চার দিনব্যাপী এ উৎসবে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশি অন্য তারকারাও।
তুরিন জানান, শ্রোতা ও দর্শকদের চাহিদার কারণে প্রতিদিন দুবার মঞ্চে পারফর্ম করতে হয়েছে তাকে। প্রায় দশ লাখ প্রবাসীর উপস্থিতিতে দেশের ফোক রক ও জনপ্রিয় ধারার গানের সুরে ও তালে মূর্ছনা ছড়ান তিনি।
ছোটবেলা থেকেই তুরিন মডেল হয়েছেন অসংখ্য বিজ্ঞাপনে। ২০১৮ সালে মিস কালচার ট্যুরিজম বিউটি পেজেন্টের মধ্য দিয়ে ফের আলোচনায় আসেন তিনি। দেশের বড় বড় ব্র্যান্ডের সাথে মডেলিং করেছেন। অভিনয় করেছেন বেশ কিছু টেলিভিশন নাটকেও। চলতি বছর অনন্য মামুন পরিচালিত ‘মেক আপ’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তার। তবে, সবকিছু ছাপিয়ে তুরিন ডিজে ক্যারিয়ারকেই সামনে এগিয়ে রাখছেন।
ডিজে হিসেবেও যে দর্শক ও শ্রোতাদের তুমুল ভালোবাসা অর্জন করা যায়, তার সাক্ষ্য বহন করছেন ডিজে তুরিন। নিয়মিতই দেশের করপোরেট আয়োজনগুলোতে পারফর্ম করছেন তিনি।
তুরিন বলেন, ‘বাংলাদেশে নিয়মিতই করপোরেট শো করছি। কিন্তু সৌদি আরবে এসে অভূতপূর্ব এ আয়োজনে এত দারুণ অডিয়েন্স কখনও পাইনি। দেশের বাইরে থাকা মানুষগুলো দেশের গানের সুরে ও তালে যেভাবে আনন্দে নেচে-গেয়ে উৎসব উদযাপন করছেন, তাতে অবদান রাখতে পারছি এটি আনন্দের ও সম্মানের। সবার ভালোবাসা পাচ্ছি। প্রতিদিন প্রায় দশ লাখ অডিয়েন্স ছিল। দারুণ অভিজ্ঞতা।’
মাত্র তিন বছরের ক্যারিয়ারে এমন জনপ্রিয়তার রহস্য কিছুটা উন্মোচন করলেন তুরিন। “পারফরম্যান্স ছাড়াও এর আরেকটা কারণ আমার গ্ল্যামার ও আউটফিট। প্রতিটি শোতেই আমি নতুনভাবে হাজির হই। ব্র্যান্ড ও শো’র থিমের সাথে মিল রেখে পোশাক চয়েজ করি। সৌদিতে লেহেঙ্গা পরছি। লাল সবুজ প্রাধান্য পাচ্ছে নিজেকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে।’
তুরিন জানান, দেশে নিয়মিত শো ছাড়াও তার পরবর্তী আন্তর্জাতিক শো হতে যাচ্ছে মালদ্বীপে।