গল্পটা মূলত দুই উপজেলা চেয়ারম্যানের দলীয় রাজনীতি নিয়ে। একজন বর্তমান, অন্যজন প্রাক্তন। দু’জনের লড়াইটা মূলত আসন্ন ইলেকশনে নমিনেশন পাওয়া নিয়ে। তাদের এই রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে পড়েন দুই সন্তান। একজনের ছেলে, অন্যজনের মেয়ে।
এই দুই ছেলে-মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান ও নাজনীন নীহা। আর তাদের নিয়ে পলিটিক্যাল থ্রিলার ঘরানার এই নাটকটির নাম ‘জনম জনমে’। রায়হান মাহামুদের রচনায় সিএমভি’র ব্যানারে নাটকটি নির্মাণ করেছেন মোঃ তৌফিকুল ইসলাম।
এতে বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, লুৎফর রহমান জর্জ, শতাব্দী ওয়াদুদ, মিলি বাশার, পলিন প্রমুখ।
নাটকটির গল্প প্রসঙ্গে নির্মাতা তৌফিকুল ইসলাম আগাম খুব বেশি মুখ ফুটাতে চাননি। এটুকু জানালেন, ‘যেহেতু গল্পটি পলেটিক্যাল রোমান্টিক থ্রিলার ঘরানার, সেহেতু গল্পের বিষয়ে খুব বেশি বলতে চাই না। তবে এটুকু কথা দিতে পারি, গল্পটি দেখে যে কেউ হতচকিত হবেন। কারণ, এটাই রাজনীতি। আমার শিল্পীরা দারুণ অভিনয় করেছেন যে যার চরিত্রে, কৃতজ্ঞতা সিএমভির প্রতি।’
এলাকার মানুষ ত্যক্ত বিরক্ত হয়ে তাদের দা-কুমড়া সম্পর্কের অবসানের জন্য পরামর্শ চায় ফজলুর রহমান-এর কাছে। যিনি এলাকার অরাজনৈতিক ব্যক্তি, উপজেলার অভিভাবক হিসেবে সর্বজন শ্রদ্ধেয়। যাকে সমীহ করে চলে খোদ আলতাফ হোসেন এবং মোতালেব মিয়াও। মূলত এখান থেকেই শুরু হয় ‘জনম জনমে’র মূল গল্প।
প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘জনম জনমে’ আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগেই মুক্তি পাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির ইউটিউব চ্যানেলে। তার ভাষায়, ‘এই গল্পের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। এটি নিখাদ একটি গ্রামীণ প্রেমের গল্প। যেহেতু খানিকটা নির্বাচনের আবহ আছে গল্পে, সেহেতু নাটকটি আমরা এই সময়টাতে মুক্তি দিতে চাই। আশা করছি গল্পটি সবার ভালো লাগবে।’