ইদানীং ফেসবুক খুললেই সামনে আসছে ছোট ছোট ড্রামা। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই প্রেম, প্রতারণা, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, রহস্য কিংবা প্রতিশোধের গল্প শুরু হয়ে যাচ্ছে। প্রধান চরিত্র কখনও বড় কোম্পানির সিইও, কখনও মাফিয়া, আবার কখনও ফ্যান্টাসির কোনো চরিত্র। দ্রুত সংলাপ, নাটকীয় অভিব্যক্তি আর সম্পর্কের টানাপোড়েনে গল্প এগিয়ে যাচ্ছে। তারপর এমন একটি জায়গায় গিয়ে ভিডিও থেমে যাচ্ছে, যেখানে মনে হয়, ‘এরপর কী হলো?’ পরের পর্ব দেখতে তাই আবার স্ক্রল করতে হচ্ছে কিংবা একটি ট্যাপ করতে হচ্ছে।
গত কয়েকদিনে ফেসবুকে আলোচনায় আসা ‘ডন লুকা ও নোরা’ এমনই একটি এআই ড্রামার উদাহরণ। কয়েক মাস ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছোট ছোট এ ধরনের নাটক দেখা গেলেও এখন ফেসবুকের বিজ্ঞাপনেও এগুলো চোখে পড়ছে। এসব নাটকের অনেকগুলো পুরোপুরি কিংবা আংশিকভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি।
তবে এখানে মজার বিষয় হলো, দর্শক সব সময় জানেনও না যে তিনি যে নাটকটি দেখছেন, সেটির কতটা এআই দিয়ে তৈরি। অনেক সময় জানার প্রয়োজনও মনে করেন না। তার কাছে আসল প্রশ্ন একটাই, গল্পটি তাকে কত দ্রুত আটকে ফেলতে পারছে।
এআই নাটকের জনপ্রিয়তার পেছনে সম্ভবত এই জায়গাটিই সবচেয়ে বড় কারণ। দর্শক স্ক্রল করতে করতে থেমে গেলেন কি না, সেটিই প্রথম পরীক্ষা।
৩০ সেকেন্ডেই প্রেম, প্রতারণা, প্রতিশোধ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন ছোট ছোট পর্বের নাটক বেশ জনপ্রিয়। গল্পের শুরুতেই প্রেম, রহস্য, পারিবারিক দ্বন্দ্ব কিংবা প্রতিশোধের মতো উপাদান হাজির করা হয়। প্রচলিত নাটকের মতো চরিত্র পরিচয় করিয়ে দিতে বা গল্প ধীরে ধীরে এগিয়ে নিতে এখানে সময় নষ্ট করা হয় না। প্রথম কয়েক সেকেন্ডেই একটা সমস্যা, সম্পর্কের সংকট বা রহস্য সামনে আসে। এরপর দ্রুত আরেকটি ঘটনা। শেষে গল্প থেমে যায় এমন এক জায়গায়, যেখানে দর্শকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়, ‘এরপর কী হলো?’
এটাই মাইক্রো-ড্রামার মূল কৌশল। প্রচলিত নাটকে একটি পুরো পর্বজুড়ে গল্প বিকশিত করার সুযোগ থাকে। মাইক্রো-ড্রামায় সেই সুযোগ নেই। তাই ক্লিফহ্যাঙ্গার এখানে শুধু গল্প বলার কৌশল নয়, দর্শক ধরে রাখার মাধ্যমও।
পরের পর্ব যদি মাত্র একটি ট্যাপ বা স্ক্রলের দূরত্বে থাকে, তাহলে অমীমাংসিত তর্ক, নতুন কোনো তথ্যের প্রকাশ কিংবা বিশ্বাসঘাতকতার ঘটনা দর্শককে পরের ভিডিওতে নিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট।
এসব গল্পের বিষয়ও নতুন নয়। সম্পদ, প্রেম, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, প্রতিশোধ, ঈর্ষা, গোপন পরিচয় ও সামাজিক মর্যাদার মতো বিষয় টেলিভিশন ও সিনেমায় বহুবার দেখা গেছে। এআই নতুন করে এই গল্পের কাঠামো তৈরি করছে না। বরং পরিচিত গল্পকে খুব অল্প সময়ে পর্দায় হাজির করার কাজটি সহজ করে দিচ্ছে।
দর্শক আসলে কী দেখছেন?
এআই নাটককে সহজভাবে বললে, এটি এমন এক ধরনের অডিও-ভিজ্যুয়াল গল্প, যেখানে চরিত্র, দৃশ্য, কণ্ঠ, অ্যানিমেশন বা ভিডিওর বড় অংশ জেনারেটিভ এআই দিয়ে তৈরি করা যায়। একটি নাটকের পেছনে থাকে গল্পের ধারণা, চিত্রনাট্য, চরিত্র তৈরি, চরিত্রের চেহারা নির্ধারণ, দৃশ্য তৈরি, ভিডিও জেনারেশন, কণ্ঠ তৈরি, ঠোঁটের সঙ্গে সংলাপ মেলানো, সংগীত ও শব্দ যোগ করা এবং সম্পাদনা। এআই এসব কাজের অনেকগুলো করতে পারে বা সেগুলোতে সহায়তা করতে পারে। তবে কোন কাজ কীভাবে হবে, তা মানুষই ঠিক করে দেয়।
এখন পর্যন্ত উদ্ভাবিত এআই মডেলগুলো থেকে মানুষের দেওয়া নির্দেশ বা প্রম্পট ছাড়া নাটক তৈরি করা এআইয়ের পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে পর্দায় যা দেখা যাচ্ছে, তার পেছনে নির্মাতার সিদ্ধান্তও থাকে। তবে আগে যে কাজের জন্য একটি ছোট প্রযোজনা ইউনিট প্রয়োজন হতো, তার কিছু অংশ এখন কম্পিউটারের পর্দায় করা সম্ভব। এ কারণেই এআই গল্প তৈরির প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনছে।
এর অর্থ অবশ্য এই নয় যে পুরো প্রযোজনাটিই এআই দিয়ে করতে হবে। এআই দিয়ে স্ক্রিপ্টের ধারণা, সংলাপ, চরিত্রের নকশা, পটভূমি, কণ্ঠ, ভিডিও দৃশ্য, সাবটাইটেল ও সম্পাদনার কাজে সহায়তা নেওয়া যায়। প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী এর ব্যবহারও বদলে যায়।
তাহলে মানুষ কেন দেখছে
মেটা-অরম্যাক্সের ২০২৬ সালের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ভারতের মাইক্রো-ড্রামার দর্শকদের নিয়ে করা গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৯ শতাংশ দর্শক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফিড থেকেই এসব নাটকের সঙ্গে যুক্ত হন।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, দর্শকেরা সপ্তাহে গড়ে ৩ দশমিক ৫ ঘণ্টা মাইক্রো-ড্রামা দেখেন। এই সময় সাধারণত ৭ থেকে ৮টি ছোট সেশনে ভাগ হয়ে থাকে। মোট দেখার প্রায় ৯০ শতাংশই হয় ব্যক্তিগত স্ক্রিনে।
ভারতের ১৪টি রাজ্যের ৬৫০ জন মাইক্রো-ড্রামা দর্শক ও ২ হাজার দর্শকের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে করা গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, ৬৫ শতাংশ দর্শক গত এক বছরে মাইক্রো-ড্রামার সংস্পর্শে এসেছেন। রোমান্স, পারিবারিক নাটক ও কমেডিও দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়। অর্থাৎ মানুষ শুধু নাটক দেখছে না, ছোট ছোট সময়ে নাটক দেখার একটি অভ্যাসও তৈরি করছে।
মেটার গবেষণায় দেখা গেছে, রাত ৮টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মাইক্রো-ড্রামা দেখার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। যাতায়াতের সময় এবং কাজের বিরতিতেও মানুষ এসব নাটক দেখেন। আরও একটি বিষয় এখানে গুরুত্বপূর্ণ। মোট দেখার ৫৭ শতাংশ হয় ‘অ্যাম্বিয়েন্ট মোডে’। অর্থাৎ মানুষ অন্য কোনো কাজ করার সময় যেমন টেলিভিশন দেখে, তেমনি অন্য কাজের পাশাপাশি এসব ভিডিও দেখে।
তাই মাইক্রো-ড্রামা সরাসরি প্রচলিত টেলিভিশন বা দীর্ঘ সময়ের স্ট্রিমিং কনটেন্টের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে না। বরং এটি দিনের সেই ছোট ছোট সময় দখল করছে, যখন কেউ একটি নাটক বা অনুষ্ঠান দেখতে এক ঘণ্টা দিতে চান না, কিন্তু কয়েক মিনিটের চলমান গল্প দেখতে আপত্তি নেই।
এআই চরিত্রগুলো কি দর্শকদের পছন্দনীয় হয়ে উঠছে
এখানেই বিষয়টি কিছুটা অদ্ভুত। দর্শক গল্প পছন্দ করলেও কৃত্রিমভাবে তৈরি চরিত্র সব সময় তার পছন্দের নাও হতে পারে। মেটা-অরম্যাক্সের গবেষণা অনুযায়ী, ৪৭ শতাংশ দর্শক এআই-নির্ভর মাইক্রো-ড্রামাকে অনন্য ও সৃজনশীল মনে করেন। মাত্র ৬ শতাংশ দর্শক এগুলো একেবারেই দেখতে চান না। অন্যদিকে, ৩৮ শতাংশ দর্শক জানিয়েছেন, তাঁরা বাস্তব অভিনেতাদের অভিনীত প্রযোজনা দেখতে বেশি পছন্দ করেন।
এতে বোঝা যায়, এআই নিজেই সব সময় এসব নাটকের মূল আকর্ষণ নয়। দর্শকের কাছে গল্প গুরুত্বপূর্ণ, আর মানুষের অভিনয় এখনও পছন্দের একটি বড় অংশ।
কৃত্রিমভাবে তৈরি চরিত্রের সীমাবদ্ধতাও অনেক সময় চোখে পড়ে। চরিত্রের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে না মেলা মুখের অভিব্যক্তি, অভিব্যক্তির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নড়াচড়া, অস্বাভাবিক চোখের দৃষ্টি কিংবা ঠোঁটের নড়াচড়ার সঙ্গে কণ্ঠের অসামঞ্জস্য পুরো দৃশ্যের কৃত্রিমতা প্রকাশ করে দিতে পারে।
বিশেষ করে কোনো চরিত্রের আবেগীয় ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলে এসব ত্রুটি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তারপরও এসব নাটক দেখা থেমে নেই। কারণ দর্শক হয়তো প্রথমে এআই দেখতে বসছেন না। তিনি গল্প দেখতে বসছেন। এআই সেখানে গল্পটিকে দ্রুত পর্দায় নিয়ে আসার একটি মাধ্যম।
চীন দেখাচ্ছে পরের ছবিটা
বাংলাদেশের ফেসবুক ফিডে এআই নাটক নতুন মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে চীনের বড় মাইক্রো-ড্রামা শিল্প। স্মার্টফোনের লম্বা পর্দার জন্য তৈরি এক-দুই মিনিটের পর্ব, দ্রুত গল্প এবং শেষে ঝুলিয়ে রাখা উত্তেজনা সেখানে অনেক আগেই জনপ্রিয় হয়েছে। ২০২৬ সালে এআই প্রযুক্তি এই উৎপাদন পদ্ধতিকে আরও দ্রুত করে দিয়েছে।
সংবাদমাধ্যম ক্যাক্সিন ও সিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসেই চীনে প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার নতুন মাইক্রো-ড্রামা প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশের বেশি নাটক এআই দিয়ে বানানো। অথচ এক বছর আগেও এআই দিয়ে বানানো নাটক ছিল খুবই কম। উন্নত ভিডিও জেনারেশন মডেল ও সফটওয়্যার বাজারে আসার পর এই পরিবর্তন শুরু হয়েছে।
চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের হেংদিয়ান শহর বহুদিন ধরেই সিনেমা ও নাটক তৈরির বড় কেন্দ্র। মাইক্রো-ড্রামার শুরুর দিকে সেখানে প্রচুর শুটিং হতো। অভিনেতাদেরও ব্যাপক চাহিদা ছিল। ক্যাক্সিন জানিয়েছে, তখন অভিনেতারা দিনে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ ইউয়ান এবং মাসে ১০ হাজার ইউয়ানের বেশি আয় করতেন। চীনের মাইক্রো-ড্রামা খাতে মোট প্রায় ৬ লাখ ৯০ হাজার মানুষ কাজ করতেন।
এআই আসার পর সেই কাজের বাজারে বড় ধস নেমেছে। অনেক অভিনেতা কাজ হারিয়েছেন অথবা কম পারিশ্রমিকে কাজ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ নাটক তৈরির সময় ও খরচ দুটোই কমে গেছে।
চায়না ডেইলির মতে, বাস্তবে শুট করা একটি আধুনিক নাটকে যেখানে ৩ থেকে ৪ লাখ ইউয়ান খরচ হয়, সেখানে এআই দিয়ে একটি কস্টিউম মাইক্রো-ড্রামা বানাতে খরচ পড়ে ২ থেকে ৩ লাখ ইউয়ান। ক্যাক্সিন জানিয়েছে, কিছু এআই মাইক্রো-ড্রামা বানাতে এখন ২০ হাজার ইউয়ানেরও কম খরচ হচ্ছে।
আগে নাটক বানাতে অনেক মানুষের প্রয়োজন হতো। এখন শুরুতে কিছু সফটওয়্যার থাকলেই কাজ শুরু করা যায়। ফলে বড় বাজেট না থাকা নির্মাতারাও নিজেদের গল্প পর্দায় তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। কিন্তু এর অন্য দিকও আছে। সবাই যদি সহজে নাটক বানাতে পারেন, তাহলে বিপুল সংখ্যক ভিডিওর ভিড়ে সত্যিই ভালো মানের নাটক খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে যেতে পারে।
নতুনত্ব থেকে অভ্যাস
তাহলে আসল প্রশ্ন, এআই অভিনেতারা কি মানুষের জায়গা নিয়ে নেবে? সম্ভবত তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, দর্শক কত দ্রুত গল্প দেখার নতুন অভ্যাস তৈরি করছেন। একই চরিত্রের উপস্থিতি, একের পর এক ক্লিফহ্যাঙ্গার এবং পর্বের পর পর্ব গল্প এগিয়ে যাওয়া মাইক্রো-ড্রামাকে ধারাবাহিক অনুষ্ঠানের মতো করে তোলে। দর্শকের আবার ফিরে এসে দেখার আগ্রহ তৈরি হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও এই অভ্যাস তৈরির উপযোগী জায়গা। দর্শক কতক্ষণ দেখলেন, কোথায় ভিডিও বন্ধ করলেন, কোন দৃশ্যে মন্তব্য করলেন, কতজন শেয়ার করলেন, এসব প্রতিক্রিয়া পরের কনটেন্ট তৈরির ধারণা দিতে পারে। চীনের মাইক্রো-ড্রামার লেখকেরাও বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মন্তব্য, শেয়ার ও দর্শকের প্রতিক্রিয়া গল্প তৈরির প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে। ফলে গল্প তৈরি হচ্ছে দর্শক, অ্যালগরিদম ও নির্মাতার মধ্যে এক ধরনের চলমান পরীক্ষার মাধ্যমে।
এই জনপ্রিয়তার বাণিজ্যিক দিকও আছে। মিডিয়া পার্টনার্স এশিয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চীন ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে মাইক্রো-ড্রামার আয় ২০২৫ সালের ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। ২০৩১ সালে তা ৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, চীন ছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মাইক্রো-ড্রামার বাজার ২০৩১ সালের মধ্যে ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এটি ২০২৬ সালের সম্ভাব্য বাজারমূল্যের প্রায় তিন গুণ।
প্ল্যাটফর্মগুলোও তাই মাইক্রো-ড্রামাকে বিনোদনের একটি স্বতন্ত্র ব্যবসা হিসেবে দেখছে। সাবস্ক্রিপশন, অর্থের বিনিময়ে পর্ব দেখা, বিজ্ঞাপন এবং অন্যান্য ডিজিটাল মডেলের মাধ্যমে এ খাত থেকে আয় করা হচ্ছে।
দর্শকের কাছে অবশ্য এসব অর্থনীতি খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি হয়তো জানেন, আরও একটি ভিডিও দেখতে গিয়ে তাঁর সময় চলে যাচ্ছে। তারপরও দেখছেন। কারণ গল্পটি তাঁকে একটি প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
সূত্র: মেটা, ক্যাক্সিন, সিএনএ, চায়না ডেইলি