নায়িকা হওয়ার আগে কীসে সেরা ছিলেন দীপিকা

ফারাহ খানের ২০০৭ সালের ‘ওম শান্তি ওম’সিনেমার মাধ্যমে পরিচিতি পান দীপিকা পাড়ুকোন। তবে এটিই তার অভিনয়জীবনের প্রথম সিনেমা ছিল না। কোকণি তার মাতৃভাষা হলেও তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত একটি কন্নড় সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় অভিনেত্রীর।

দীপিকাকে চলচ্চিত্রে নিয়ে আসেন নির্মাতা ইন্দ্রজিৎ লঙ্কেশ। ২০০৬ সালে এই নির্মতার ‘ঐশ্বরিয়া’ সিনেমার মাধ্যমে দীপিকার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়।

দীপিকা অভিনেত্রী হওয়ার আগে এবং ইন্দ্রজিৎ পরিচালক হওয়ার আগে দুজন একসঙ্গে ব্যাডমিন্টন খেলতেন। দীপিকার বাবা ব্যাডমিন্টন তারকা প্রকাশ পাড়ুকোন। কিশোরী বয়সে দীপিকাও বিভিন্ন চ্যাম্পিয়নশিপে ব্যাডমিন্টন খেলেছেন।

সম্প্রতি ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’কে ইন্দ্রজিৎ বলেন, ‘দীপিকা যখন রাজ্যের হয়ে খেলতেন, তখন আমি তার সঙ্গে ব্যাডমিন্টন খেলতাম। পরে আমি পরিচালক হলাম, আর তিনি অভিনেত্রী হলেন। পরিচালক হিসেবে চারটি সিনেমা করার পর আমি তাকে সিনেমায় নেওয়ার কথা ভাবি। তখন তিনি মডেল ছিলেন। ‘ঐশ্বরিয়া’র গল্প শোনানোর জন্য যেদিন তার সঙ্গে দেখা করি, সেদিনই বুঝেছিলাম, তার মধ্যে তারকা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

ইন্দ্রজিৎ জানান, ক্যামেরার সামনে আসার আগেই দীপিকার মনোযোগ ও পেশাদারত্ব তাকে মুগ্ধ করেছিল। তার বিশ্বাস ছিল, দীপিকার গন্তব্য শুধু ভারতীয় চলচ্চিত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না; তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও পরিচিতি পাবেন।

ইন্দ্রজিৎ বলেন, ‘আমি তার মধ্যে মনোযোগ, ক্ষুধা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও শৃঙ্খলা দেখেছিলাম। শুটিংয়ের সময়ই তাকে বলেছিলাম, তিনি শুধু কন্নড় বা বলিউডে সীমাবদ্ধ থাকবেন বলে আমি মনে করি না। আমার মনে হয়েছিল, বিশ্বতারকা হওয়ার মতো সবকিছুই তার মধ্যে রয়েছে।’

বর্তমানে দীপিকার হাতে রয়েছে শাহরুখ খানের সঙ্গে সিদ্ধার্থের ‘কিং’ সিনেমা। পাশাপাশি আল্লু অর্জুনের সঙ্গে আতলির তেলুগু সিনেমা ‘রাকা’তেও অভিনয় করবেন তিনি।

অন্যদিকে ইন্দ্রজিৎ লঙ্কেশের হাতে রয়েছে ‘জয় হিন্দ জয় সিন্ধ: আ লাভ স্টোরি’ নামে একটি হিন্দি সিনেমা।