গত ৩১ জুলাই মুক্তি পেয়েছে গ্রেগ আরাকি পরিচালিত সিনেমা ‘আই ওয়ান্ট ইয়োর সেক্স’। মুক্তির আগে থেকেই ইরোটিক কমেডি থ্রিলার সিনেমাটি নিয়ে চলছে আলোচনা–সমালোচনা।
হলিউডে যৌনতা নিয়ে সিনেমা নতুন কিছু নয়। ‘বেসিক ইনস্টিঙ্কট’, ‘আইজ ওয়াইড শাট’, ‘ফিফটি শেডস অব গ্রে’ কিংবা ‘বেবিগার্ল’—প্রতিটি ছবিই নিজ নিজ সময়ে আলোচনার ঝড় তুলেছে। তবে এ বছরের সবচেয়ে আলোচিত ইরোটিক থ্রিলারের নাম সম্ভবত ‘আই ওয়ান্ট ইয়োর সেক্স’।
মুক্তির আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সমালোচক মহল ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল কৌতূহল তৈরি করেছে এ সিনেমাটি।
লস অ্যাঞ্জেলেসে ছবির প্রিমিয়ারে ভ্যারাইটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ছবির অন্তরঙ্গ দৃশ্যগুলো নিয়ে কথা বলেছেন অন্তরঙ্গ দৃশ্য সমন্বয়কারী (ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর) ইয়েহুদা ডুয়েনিয়াস। সেখানে তিনি জানান, কীভাবে ছবির ঘনিষ্ঠ দৃশ্যগুলো ধারণ করা হয়েছে।
তার ভাষ্য, ‘‘ছবির অভিনেতা অলিভিয়া ওয়াইল্ড ও কুপার হফম্যান প্রতিটি দৃশ্যের আগে ‘ব্যথার মাত্রা’ নির্ধারণের বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করেছিলেন। ছবির কয়েকটি দৃশ্যে চরিত্রের সম্পর্ক ফুটিয়ে তুলতে শারীরিক আঘাতের অভিনয় ছিল। সে সময় তারা ১ থেকে ১০ পর্যন্ত একটি ‘পেইন স্কেল’ ব্যবহার করতেন।’’
ডুয়েনিয়াসের মতে, এ পদ্ধতি অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ সহজ করেছে। একই সঙ্গে দৃশ্যগুলো বাস্তবসম্মত দেখানোর পাশাপাশি নিরাপদ পরিবেশও নিশ্চিত করেছে।
এই ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন অলিভিয়া ওয়াইল্ড ও কুপার হফম্যান। ছবিতে কুপার হফম্যান অভিনয় করেছেন সদ্য কলেজ পাস করা তরুণ এলিয়ট চরিত্রে। তিনি এক প্রভাবশালী গ্যালারি–মালিক এরিকা ট্রেসির (অলিভিয়া ওয়াইল্ড) সঙ্গে জটিল সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ ছবির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করেন অভিনেতা। অভিজ্ঞতাটি সহজ ছিল না বলে জানিয়েছেন তিনি।
তার ভাষায়, ‘‘ভয় লাগছিল, কিন্তু ভয় পেয়ে থেমে থাকলে চলবে না। নতুন কিছু করার সাহস থাকতে হয়।’’