‘দ্য সোশ্যাল রেকনিং’ সিনেমার মাধ্যমে অ্যারন সরকিন আবারও ফেসবুকের গল্পে ফিরছেন। ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ সিনেমার ঘটনার পর ফেসবুক কীভাবে এগিয়ে গেল—এবার সেই গল্প দেখানো হচ্ছে না। বরং নতুন সিনেমাটি প্রতিষ্ঠানটি এবং প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের সামনে তৈরি হওয়া বিভিন্ন সংকট ও বিতর্ককে কেন্দ্র করে নির্মিত।
এ সিনেমাতে মার্ক জাকারবার্গের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেরেমি স্ট্রং। এর মধ্যে সিনেমার ট্রেলারটি গল্প সম্পর্কে দর্শকদের আরও পরিষ্কার ধারণা দিচ্ছে। আগামী ৯ অক্টোবর মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সিনেমাটির।
ট্রেলারে দেখা যায়, ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর প্রতিবেদক জেফ হরউইৎসের চরিত্রে জেরেমি অ্যালেন হোয়াইট। তিনি ফেসবুক এবং আধুনিক জীবনে এর ভূমিকা নিয়ে গভীরভাবে তদন্ত করেন। হরউইৎস এবং মাইকি ম্যাডিসন অভিনীত ফ্রান্সেস হাউগেন ফেসবুকের বিভিন্ন অনিয়ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখেন।
হরউইৎজ জানান, তিনি শুধু প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিবেদক নন। অন্যদিকে, হাউগেন এমন কিছু বিতর্কিত নথি তার সঙ্গে শেয়ার করেন, যেগুলো তার বিশ্বাস অনুযায়ী ফেসবুকের দায়বদ্ধতা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।
ট্রেলারে জেরেমি স্ট্রংয়ের মার্ক জাকারবার্গকেও আরও কাছ থেকে দেখা যায়। এবার তার চরিত্রকে আগের তুলনায় বেশি রাগী, কঠোর এবং নির্মম মনে হচ্ছে।
‘দ্য সোশ্যাল রেকনিং’-এর পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার অ্যারন সরকিন জানান, সিনেমাটির পরবর্তী কিস্তি তৈরি করতে এত বছর সময় লাগার মূল কারণ ছিল—তিনি উপযুক্ত গল্প খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তিনি চেয়েছিলেন, নতুন সিনেমাটির এমন একটি শক্তিশালী কারণ থাকতে হবে, যাতে এটি সত্যিই নির্মাণের যোগ্য হয়ে ওঠে।
এক সাক্ষাৎকারে সরকিন বলেন, ‘ব্রেক্সিট, ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কিংবা ফেসবুককে ঘিরে প্রতিবার কোনও নতুন ঘটনা ঘটলেই অনেকে তাকে সিনেমাটি লেখার জন্য বলতেন। কিন্তু তিনি তখন গল্পটির সঠিক দিক খুঁজে পাচ্ছিলেন না।’
তার ভাষায়, কোনও সিনেমা চিন্তাশীল, প্রাসঙ্গিক বা গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার আগে সেটিকে এমন একটি সিনেমা হতে হয়, যা দর্শক পপকর্ন খেতে খেতেও উপভোগ করে দেখতে চাইবে।
উল্লেখ্য, ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ ২০১০ সালের ১লা অক্টোবর মুক্তি পায়।