সোহিনীর ভাষায়, ‘ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর নয়, প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এর সাফল্যের ব্যাপারে সংশয়হীন আমি। মুক্তির পর সেটা মিলে গেছে। আমি আনন্দিত।’
ভাষায় স্পষ্ট, বেশ আত্মবিশ্বাসী সোহিনী। কারণ, ফেলে আসা বছর শুরু হয়েছে অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের ‘ওপেন টি বায়োস্কোপ’ দিয়ে। তার পর একে একে সোহিনীর অভিনয় শৈলী মেলে সৃজিতের ‘রাজকাহিনী’ এবং বছরের শেষটা হলো অরিন্দম শীলের ‘হর হর ব্যোমকেশ’ দিয়ে। ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ১৮ ডিসেম্বর। যার রেশ আছড়ে পড়েছে নতুন বছরে।
গেল বছরের শুরুতে ‘ওপেন টি বায়োস্কোপ’-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যায় সোহিনীকে। গেল পূজা উৎসবে মুক্তি পায় সৃজিতের ‘রাজকাহিনী’। এখানে অনেক নায়িকার ভিড়েও আলাদা করে নজর কাড়েন সোহিনী। সর্বশেষ ব্যোমকেশের ছবিতে সদ্য-বিবাহিতা সত্যবতীর চরিত্রে দেখা মেলে নতুন সোহিনীকে। যেখানে উচ্ছলতা, দাম্পত্য-প্রেমের অভিনয়ে দর্শক-সমালোচকদের শতভাগ সমীহ আদায় করে নেন সোহিনী সরকার।
/এমএম/