প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিতর্কে কলকাতা হাইকোর্টে স্বস্তি শ্রীলেখার

গত জুলাই মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি আপত্তিকর এবং কুরুচিকর পোস্টার প্রকাশ্যে তুলে ধরার অভিযোগ ওঠে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর বিরুদ্ধে। যদিও তিনি বারবার দাবি করেন ছবিটি তিনি না দেখেই হাতে নিয়েছিলেন এবং ছবি তুলেছিলেন। কিন্তু তাতে পরিস্থিতি অভিনেত্রীর অনুকূলে যায়নি।

কলকাতার আনন্দপুর থানায় এফআইআর দায়ের করা হয় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি মুখপাত্র কেয়া ঘোষ।

কলকাতা হাইকোর্টে সে ঘটনার সম্পর্কিত একাধিক ফৌজদারি মামলা খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। এবার কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেলেন অভিনেত্রী।”

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ৩৫৩ (২) ধারায় এটিকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা যাবে না। অবশ্যই অভিনেত্রী যে কাজটি করেছেন সেটি অন্যায় কিন্তু এটি কোনও অপরাধ নয়। এরপর আদালত রাজ্যকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং অভিনেত্রীকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। 

তবে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলবে। আগামী ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত শ্রীলেখাকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। যার ফলে আদালতের অনুমতি ছাড়া অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। অন্যদিকে অভিনেত্রীকে তদন্তের প্রয়োজনে সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে আদালতকে।

শ্রীলেখাকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলে তাকে অন্তত ৪৮ ঘন্টা আগে নোটিশ দিতে হবে। কিন্তু শ্রীলেখা যদি তদন্তের ক্ষেত্রে সহযোগিতা না করেন সেখানে এই নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন করা যেতে পারে। তাই বোঝাই যাচ্ছে আপাতত আইনিভাবে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন তিনি।