লাল মসজিদের পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ডকুমেন্টারিটি তৈরি হয়েছে। এ ডকুমেন্টারিতেই প্রথমবারের মতো যেসকল মানুষ চরমপন্থী মতাদর্শের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন তাদের বক্তব্য হাজির করা হয়েছে।
চরমপন্থী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের চলমান লড়াইয়ের নেতিবাচক ভাবমূর্তি প্রদর্শনকে ডকুমেন্টারিটি নিষিদ্ধ করার কারণ বলে উল্লেখ করেছে পাকিস্তানের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সেন্সরস।
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলছে মালয়েশিয়ার দরজা
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনকে নাকভি বলেন, ‘গত বছর ট্রিবেকা চলচ্চিত্র উৎসবে’ ডকুমেন্টারিটির প্রিমিয়ার হয়েছিল। এটি নির্মাণ করতে আমাদের ছয় বছর লেগেছে। লাল মসজিদে অধ্যয়নরত দুই শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে এটি নির্মিত হয়েছে। আমাদের সমাজে মতাদর্শিক যে বিভাজন রয়েছে তা তারা ক্ষুদ্র পরিসরে হাজির করেছে। ২৯ এপ্রিল ডকুমেন্টারিটি আসলামাবাদে প্রদর্শনের কথা ছিল। এর জন্য আয়োজকরা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন চাইতে গেলে অস্বীকৃতি জানানো হয়। কারণ জানতে চাইলে বলা হয়, এটি সারাদেশে নিষিদ্ধ।’
২০টি দেশে প্রদর্শনের পর ডকুমেন্টারিটি নিজ দেশে প্রদর্শন না করতে পারাটা অনেক হতাশার বলে উল্লেখ করেন নাকভি।
এর আগে বুধবার ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ আর ‘উসকানিমূলক’ উল্লেখ করে ফিচার ফিল্ম মালিক নিষিদ্ধ করা হয়। সূত্র: ডন
/এফইউ/