যুক্তরাষ্ট্রের সদ্যপ্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী প্রিন্সের আকস্মিক মৃত্যুর দশ দিন পর উন্মোচিত হয়েছে তার সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে আত্মহত্যার আলামত পাওয়া না গেলেও তিনি যে বেদনানাশক হিসেবে আফিম ব্যবহার করতেন তা জানা যায়। এবার জানা গেল, ওই বেদনানাশকে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন এই প্রতিভাধর শিল্পী, এমনকি নিরাময়ের পথও খুঁজছিলেন তিনি।
হলিউড লাইফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত্যুর এক মাস আগে একটি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেন প্রিন্স। তিনি সেখানে দীর্ঘমেয়াদী নিতম্বের ব্যথার জন্য নেওয়া আফিমে আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে চিকিৎসা নেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
আরও পড়ুনঃ আফিম নিচ্ছিলেন প্রিন্স
প্রসঙ্গত, গত ২১ এপ্রিল নিজের স্টুডিওর এলিভেটরের ভেতরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সঙ্গীত শিল্পী প্রিন্সকে।মাত্র ৫৭ বছর বয়সে এই প্রতিভাধর শিল্পীর মৃত্যুর কারণ জানতে তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।প্রাথমিকভাবে ময়নাতদন্তে আত্মহত্যার কোন আলামত পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুনঃ ‘আত্মহত্যা করেননি প্রিন্স’
এরপর গত ২৭ এপ্রিল ময়নাতদন্তের বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। সেখান থেকে জানা যায় বেদনানাশক হিসেবে আফিম নিচ্ছিলেন প্রিন্স। আফিম নেওয়ার বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ায় প্রিন্সের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের মাদক বিভাগ ইউএস ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাছে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুনঃ প্রিন্সের সম্মানে আবারও প্রেক্ষাগৃহে পার্পল রেইন
প্রিন্সের জন্ম ১৯৫৪ সালে। মাত্র সাত বছর বয়সে তিনি গান লিখতে শুরু করেন। সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে অবস্থান করতে শুরু করেন ১৯৮০র দশক থেকে। প্রিন্স ছিলেন একাধারে বাদক, গায়ক, কবি ও সুরস্রষ্টা। সঙ্গীত অঙ্গনে ব্যাকরণ ও প্রযুক্তির উন্নতিতেও ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
সূত্রঃ হলিউড লাইফ
/ইউআর/