ফিলেমন জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় লানাও দেল সুর প্রদেশের বুতিগ শহরে মওতে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়। এখনও সে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন সংঘর্ষে দুই সেনা সদস্য নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন। নিহত বিদ্রোহীদের মৃতদেহগুলো সেনা সদস্যরা উদ্ধার করতে পারেননি জানিয়ে ফিলেমন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৫৪ জন যোদ্ধার মৃত্যুর খবর জানা গেছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্য বিদ্রোহীদেরকে মৃতদেহগুলো টেনে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।
ফিলেমনের দাবি, গত মাসে কাঠ চেরাই কারখানার (স'মিল) দুই শ্রমিকের শিরশ্ছেদের ঘটনায় জড়িতদের সন্ধানে সেনাবাহিনী গোলা বারুদ ছুড়েছে এবং বিমান হামলা চালিয়েছে। শিরশ্ছেদ করার সময় ওই শ্রমিকদেরকে কমলা রংয়ের পোশাক পরতে বাধ্য করা হয়েছিল। এছাড়া আরও চার শ্রমিককে জিম্মি রাখা হয়। পরে নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর চার শ্রমিককে ছেড়ে দেন জিম্মিকারীরা।
ফেব্রুয়ারিতেও বুতিগের একটি সেনা চৌকিতে হামলা করেছিল সংগঠনটি। ওই হামলাকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে চলা সংঘর্ষে ২৪ বিদ্রোহী যোদ্ধা এবং ৬ সেনা সদস্য নিহত হন। এর মধ্যে একজনকে শিরশ্ছেদ করা হয়। কর্তৃপক্ষের দাবি, সংগঠনটির সদস্যরা আইএসের চিহ্নসম্বলিত কালো কাপড় পরিহিত ছিলেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, রোমান ক্যাথলিক অধ্যুষিত দেশ ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলটি সংখ্যালঘু মুসলিমদের বসবাসের এলাকা হিসেবে পরিচিত। দক্ষিণাঞ্চলে কয়েকটি ছোট ছোট সংগঠন রয়েছে যারা অনলাইনে ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে আইএসের প্রতি সমর্থন জানিয়ে থাকে। তবে ফিলিপাইনের সেনাবাহিনী বলছে, এখন পর্যন্ত আইএসর সঙ্গে সংগঠনগুলোর সরাসরি কিংবা সক্রিয় কোনও সংযোগ নেই। সূত্র: আল জাজিরা
/এফইউ/