কাবুলে বিদেশি নিরাপত্তারক্ষীদের ওপর আত্মঘাতী হামলা, নিহত কমপক্ষে ১৪

আফগানিস্তানের কাবুলের এক মিনিবাসে চালানো আত্মঘাতী হামলায় এ পর্যন্ত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকে। বাসটি নেপালি নিরাপত্তারক্ষীদের বহন করছিলো। হামলার পর এর দায় স্বীকার করেছে তালেবান।

হামলার পর আফগান বাহিনীর তৎপরতা

আফগান কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এসব কথা জানিয়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, কাবুল থেকে পূর্বাঞ্চলীয় শহর জালালাবাদে যাওয়ার পথে হামলা চালানো হয় ওই বাসে। পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ওই নির্দিষ্ট বাসটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন হামলাকারী।

আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র সাদিক সিদ্দিকী বার্তা সংস্থা এপিকে বলেছেন, ‘একটি বিদেশি কোম্পানির নিরাপত্তারক্ষীদের মিনিবাসকে লক্ষ্য করে হামলাটি পরিচালিত হয়েছে। আমরা এখন নিহতদের পরিচয় ও জাতীয়তা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছি।’

তালেবানের পক্ষ থেকে এ ঘটনার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বিবিসি জানিয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে এটাই তাদের প্রথম দায় স্বীকারের ঘটনা।

উল্লেখ্য,  ২০০১ সালের টুইন টাওয়ার হামলার পর মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের কথিত সন্ত্রাসবিরোধী অনন্ত যুদ্ধের সূচনা হয় আফগানিস্তানেই।  এ ঘটনায় সরকারের সঙ্গে তালেবানের উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ২০১৪ সালে আফগানিস্তানে যৌথ অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দেয় সামরিক জোট ন্যাটো। তবে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে সহায়তার কথা বলে ১৩ হাজার নিরাপত্তারক্ষীকে আফগানিস্তানেই রেখে আসে তারা।

উল্লেখ্য, আফগান-তালেবান শান্তি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে ওই ১৩ হাজার সৈন্যের নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। তালেবান সাফ জানিয়ে দেয়, সর্বশেষ বিদেশি সেনা দেশ ছাড়ার আগ পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনায় নয়। সূত্র: বিবিসি

/বিএ/